লকডাউন পরিস্থিতিতে বৃহন্নলা ও ভাটা শ্রমিকদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিল ব্লক প্রশাসন
নিজস্ব প্রতিনিধি, ডায়মন্ড হারবারঃ একুশ শতাব্দীতেও সমাজের চোখে এঁরা ব্রাত্য। সভ্য মানুষের কাছ থেকে টিটকিরি আর গঞ্জনা পাওয়া নিত্য দিনের ঘটনা। এমনকি জন্মের পর নিজের পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে থাকার অনুমতিটুকুই নেই এঁদের। জ্ঞান হওয়ার আগে থেকেই দলভুক্ত হতে হয়েছে। তথা কথিত সভ্য সমাজের কাছে হাসি আর মস্করার পাত্র এঁরা। হাসি টিটকারি শুনতে শুনতে ভুলেই গেছেন সবাইয়ের মত এঁরাও মানুষ। কোন পরিবারে নবজাতক এলেই দেখা মেলে এঁদের। নতুন শিশুকে আশীর্বাদ করে পরিবারের লোকজনদের থেকে কিছু অর্থ নিয়ে থাকেন। আর এভাবেই বছরের পর বছর ধরে উপার্জন করে আসছেন বৃহন্নলারা। ডায়মন্ড হারবারের একাধিক জায়গায় রয়েছে বৃহন্নলাদের বাস।
করোনা সংক্রমণের জেরে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে বাড়ির বাইরে বের হতে পারছেন না তাঁরা। ফলে আয়ইনকামের সব পথই বন্ধ। ফলে টান পড়েছে পেটে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় বৃহন্নলাদের কথা মাথায় রেখে এগিয়ে এল ডায়মন্ড হারবার ১নং ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি। বিডিও অফিসে এলাকার অসহায় বৃহন্নলাদের হাতে তুলে দেওয়া হল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। ওই বৃহন্নলাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলেদিলেন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তের কর্মাধ্যক্ষ গৌতম অধিকারী ও বিডিও মিলন তীর্থ সামন্ত। অন্যদিকে ডায়মন্ড হারবারের নদীর পাড় বরাবর রয়েছে একের পর এক ইট ভাটা। এই ভাটাগুলির অধিকাংশ শ্রমিকই বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। হুগলী নদীর পাড়ে ইঁট ভাটাগুলোর চত্তরেই ছোট ছোট ঘুপচি ঘরে ছেলেমেয়েদের নিয়ে বসবাস ছিল ২৫০টির বেশী শ্রমিক পরিবারের। ওই সমস্ত শ্রমিকদের ছেলেমেয়েরাও এলাকার স্কুলে পড়াশুনা করছিল। কিন্তু লকডাউনের ফলে বন্ধ ভাটার কাজ। কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকমত হাঁড়ি ছড়ছে না শ্রমিকদের পরিবারে। হতদরিদ্র ভাটার শ্রমিক ও তাদের পরিবারের কথা মাথায় রেখে শ্রমিকদের হাতে তুলে দেওয়া হল নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। এদিন ইট ভাটার প্রায় শতাধিক শ্রমিকের হাতে এই খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন পূর্তের কর্মাধ্যক্ষ গৌতম অধিকারী। তাঁর এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন শ্রমিকরা। এই দুর্দিনে সাহায্য পেয়ে ভীষণ খুশি তাঁরা।
করোনা সংক্রমণের জেরে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর থেকে বাড়ির বাইরে বের হতে পারছেন না তাঁরা। ফলে আয়ইনকামের সব পথই বন্ধ। ফলে টান পড়েছে পেটে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় বৃহন্নলাদের কথা মাথায় রেখে এগিয়ে এল ডায়মন্ড হারবার ১নং ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি। বিডিও অফিসে এলাকার অসহায় বৃহন্নলাদের হাতে তুলে দেওয়া হল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। ওই বৃহন্নলাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলেদিলেন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তের কর্মাধ্যক্ষ গৌতম অধিকারী ও বিডিও মিলন তীর্থ সামন্ত। অন্যদিকে ডায়মন্ড হারবারের নদীর পাড় বরাবর রয়েছে একের পর এক ইট ভাটা। এই ভাটাগুলির অধিকাংশ শ্রমিকই বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। হুগলী নদীর পাড়ে ইঁট ভাটাগুলোর চত্তরেই ছোট ছোট ঘুপচি ঘরে ছেলেমেয়েদের নিয়ে বসবাস ছিল ২৫০টির বেশী শ্রমিক পরিবারের। ওই সমস্ত শ্রমিকদের ছেলেমেয়েরাও এলাকার স্কুলে পড়াশুনা করছিল। কিন্তু লকডাউনের ফলে বন্ধ ভাটার কাজ। কাজ বন্ধ হওয়ায় ঠিকমত হাঁড়ি ছড়ছে না শ্রমিকদের পরিবারে। হতদরিদ্র ভাটার শ্রমিক ও তাদের পরিবারের কথা মাথায় রেখে শ্রমিকদের হাতে তুলে দেওয়া হল নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী। এদিন ইট ভাটার প্রায় শতাধিক শ্রমিকের হাতে এই খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন পূর্তের কর্মাধ্যক্ষ গৌতম অধিকারী। তাঁর এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন শ্রমিকরা। এই দুর্দিনে সাহায্য পেয়ে ভীষণ খুশি তাঁরা।

No comments