কলকাতার বাজারে দেদার বিক্রি হচ্ছে মেয়াদউত্তীর্ণ খাবার ও অষুধ, খবর পেয়ে পদক্ষেপ নিল পুরসভা
নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা মোকাবিলায় চলছে লকডাউন। কলেজ বন্ধ অধিকাংশ দোকানপাট। সেই সুযোগে শহর কলকাতা জুড়ে ব্যবসা ফেঁদে বসেছে বেশ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার এমন কি ওষুধ দেদার বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। দামের প্রিন্টের উপর নকল স্টিকার মেরে সাধারণ মানুষের টুপি পরিয়ে এইসব অসাধু ব্যবসায়ীরা বড় কারবার পেতে বসেছে। খবর পাওয়া মাত্রই তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা পুরসভা। মেয়র ফিরহাদ হাকিম ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
সূত্রের খবর মেটিয়াবুরুজ ও তার আশপাশের এলাকায় এই ধরনের জাল ওষুধ খাবার বিক্রির চক্র সক্রিয় হচ্ছিল আস্তে আস্তে।
বিভিন্ন পয়েন্টে এই প্যাকেটজাত মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ও ওষুধ বিক্রি খবর পুরসভাকে জানান স্থানীয় এক যুবক। পুলিশ কেও ফোন করে খবর দেওয়া হয়। এরপর তৎপর শুরু হয় পুরসভার পক্ষ থেকে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম পুলিশ কমিশনারকে তদন্ত করে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওই সমস্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার ও ঔষধগুলি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুরসভভা আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছে বলেও জানান মেয়র। প্রসঙ্গত এই প্যাকেটজাত মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ওষুধ খেলে আন্ত্রিকের পাশাপাশি নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্যাকেটের খাবার গুলিতে ফাংগাস জন্মায়। শুধুই ছত্রাক নয় বাসা বাঁধে ভাইরাস ও জীবাণু। সেই পরিস্থিতিতে মেয়দের তৎপরতায় খুশি পুরনাগরিকরা।
বিভিন্ন পয়েন্টে এই প্যাকেটজাত মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ও ওষুধ বিক্রি খবর পুরসভাকে জানান স্থানীয় এক যুবক। পুলিশ কেও ফোন করে খবর দেওয়া হয়। এরপর তৎপর শুরু হয় পুরসভার পক্ষ থেকে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম পুলিশ কমিশনারকে তদন্ত করে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ওই সমস্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার ও ঔষধগুলি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুরসভভা আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তৎপর রয়েছে বলেও জানান মেয়র। প্রসঙ্গত এই প্যাকেটজাত মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার ওষুধ খেলে আন্ত্রিকের পাশাপাশি নানান ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্যাকেটের খাবার গুলিতে ফাংগাস জন্মায়। শুধুই ছত্রাক নয় বাসা বাঁধে ভাইরাস ও জীবাণু। সেই পরিস্থিতিতে মেয়দের তৎপরতায় খুশি পুরনাগরিকরা।

No comments