করোনায় আক্রান্ত হলদিয়া বন্দরের নিজামুদ্দিন ফেরত কর্মী, শুনশান বন্দর
নজরবন্দি ব্যুরোঃ এবার করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল হলদিয়া বন্দর এলাকায়। দিল্লির নিজামুদ্দিন থেকে ফিরে আসা বন্দরের এক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। আর যার জেরে গোটা বন্দর এলাকাতেই ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সোয়াব রিপোর্টে জানা যায় তাঁর দেহে করোনাভাইরাস রয়েছে। খবর চাউর হতেই শুক্রবার কাজে যোগ দেননি বন্দরের সিংহভাগ শ্রমিক। গোটা বন্দরটাই ফাঁকা শুনশান।
দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর যেমন জরুরী পরিষেবা চালু রয়েছে ঠিক তেমনি মাল খালাসের জন্য কাজ চলছিল কলকাতা হলদিয়া বন্দরে। রাজ্যের খাদ্য সামগ্রী থেকে অন্যান্য জিনিস সরবরাহ ও আমদানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি বন্দর। লকডাউন জারি থাকলেও জরুরী পরিষেবার মত কাজ চলছিল এই দুই বন্দরে জরুরী পরিষেবার মত কাজ চলছিল এই দুই বন্দরে।
তবে কিছু সংখ্যক শ্রমিক আগে থেকেই কাজে যোগ দেওয়া বন্ধ করেছিলেন। এই আবহে চাঞ্চল্যকর খবর এল বৃহস্পতিবার। বন্দরের কর্মী আক্রান্ত করণায় বন্দরের কর্মী আক্রান্ত করোনায়। জানিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে বন্দরের ওই কর্মী দিল্লি থেকে ফেরার পর কাজে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে পুলিশ তাঁকে শনাক্ত করে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। গত ৩১ মার্চ থেকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন তিনি। এরপর ২ এপ্রিল ওই ব্যক্তির সোয়াব পাঠানো হয় পরীক্ষাগারে। রাতেই কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট আসে। আর রিপোর্টে ওই ব্যক্তির করো না পজেটিভ মেলে।
রাতেই তাকে বেলেঘাটা আইডিতে স্থানান্তর করা হয়। খবর চাউর হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বন্দরের কর্মী ও এলাকার বাসিন্দারা। বন্দরেও করোনা সংক্রমিত হতে পারে এই আশঙ্কায় কেউই শুক্রবার যোগ দেননি কাজে। ফলত বন্ধ হয়ে রয়েছে বন্দর। মধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা যারা এসেছিলেন তাদেরকে চিহ্নিত করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি বন্দরের ১৩ নম্বর জেনারেল জিসি বাড়তে একটি বেসরকারি ক্রেন অপারেটিং সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নতুন করে আবারও করোনা আক্রান্তের ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
রাতেই তাকে বেলেঘাটা আইডিতে স্থানান্তর করা হয়। খবর চাউর হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বন্দরের কর্মী ও এলাকার বাসিন্দারা। বন্দরেও করোনা সংক্রমিত হতে পারে এই আশঙ্কায় কেউই শুক্রবার যোগ দেননি কাজে। ফলত বন্ধ হয়ে রয়েছে বন্দর। মধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা যারা এসেছিলেন তাদেরকে চিহ্নিত করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি বন্দরের ১৩ নম্বর জেনারেল জিসি বাড়তে একটি বেসরকারি ক্রেন অপারেটিং সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নতুন করে আবারও করোনা আক্রান্তের ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

No comments