গেরুয়া শিবিরে আতঙ্ক, কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খুনে বিজেপি সাংসদকে জেরা
নজরবন্দি ব্যুরো:কৃষ্ণনগরের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে বিতর্ক কম হয় নি গোটা রাজ্যে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে জেরা করে সিআইডি।
এফআইআরে নাম থাকার কারণেই দফায় দফায় তাঁকে জেরা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রেফতার করা যাবে না বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী হাজিরা দিতেই শনিবার বেলা ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ ভবানীভবনে আসেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করতেই এসেছি বলে জানান বিজেপি সাংসদ।
প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে সন্ধ্যায় সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথায় গুলি করে আততায়ীরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই উদ্ধার হয় খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র। ঘটনায় সরাসরি বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে তৃণমূল নেতৃত্ব।
জানান হয় এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে বিজেপি। অভিজিৎ পুণ্ডারি নামে স্থানীয় এক যুবককে আটক করে পুলিশ। বিধায়ক খুনের দায়িত্বভার সিআইডির হাতে তুলে দেয় রাজ্য সরকার। এরপরই তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পুণ্ডারি, নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মণ্ডল ও কার্তিক মণ্ডলকে গ্রেফতার করে তদন্তকারীরা। ধৃতরা সবাই বিজেপির সক্রিয় কর্মী। যদিও ধৃতদের নিজেদের দলের কর্মী বলে মানতে নারাজ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।এরপরই তদন্তে উঠে আসে নদিয়া জেলা বিজেপি সভাপতি জগন্নাথ সরকারের নাম। আর সেই কারণেই একাধিকবার বিজেপি সাংসদকে ডেকে পাঠায় সিআইডি।
এফআইআরে নাম থাকার কারণেই দফায় দফায় তাঁকে জেরা করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রেফতার করা যাবে না বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে। নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী হাজিরা দিতেই শনিবার বেলা ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ ভবানীভবনে আসেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করতেই এসেছি বলে জানান বিজেপি সাংসদ।
প্রসঙ্গত, প্রায় এক বছর আগে সন্ধ্যায় সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথায় গুলি করে আততায়ীরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরেই উদ্ধার হয় খুনে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র। ঘটনায় সরাসরি বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে তৃণমূল নেতৃত্ব।

No comments