ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু হলো বাণীপুর লোকউৎসব
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লোকসংস্কৃতি। চিরাচরিত প্রথার বাহিরের এই লোক সংস্কৃতি দিন দিন লুপ্ত হতে চলেছে বাংলা থেকে। লোক সংস্কৃতির একাধিক মাধ্যমকে সমাজের সামনে প্রতিবছর তুলে ধরে বাণীপুর লোকউৎসব। শনিবার থেকে হাবড়ায় শুরু হলো এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব।
শনিবার উৎসবের উদ্বোধন করেন বাউল শিল্পী গোলাম ফকির। শিল্পী গোলাম ফকির ছারাও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, শুভেন্দু অধিকারী এবং ব্রাত্য বসু। এই বছর বাণীপুর লোকউৎসবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বসানো হয়েছে তাঁর মুর্তি। বিদ্যাসাগরের মুর্তির উদ্বোধন করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এবং অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের নাম দেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগরের নামে।
এই বছর হাবড়ার বানীপুর লোকউৎসব ৬৬ বছরে পড়ছে। বিহু, বাউল, ভাটিয়ালি, যাত্রা, নাটুয়া, ভাওয়াইয়া সহ পঞ্জাবের শিল্পীদের ভাংড়া অনুষ্ঠান। তাঁর সাথে থাকছে মহিলাদের কাবাডি, ফুটবল, ভলিবল, দড়ি টানাটানি প্রতিযোগিতা। এবং থাকছে সাহিত্যসভা, বৃক্ষরোপণ, স্বাস্থ্যশিবিরেরও আয়োজন। এই অনুষ্ঠান নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছেন, এই উৎসবের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ, রাজ্যে সরকারের বিভিন্ন দফতর এই উৎসবের সহযোগিতায় আছে। শুধু আমাদের রাজ্যে নয়, গোটা দেশ জুড়ে বাণীপুর লোকউৎসব চর্চিত। হাবড়ার ঐতিহ্যবাহী লোকউৎসব শুরু হয়েছে শনিবার ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
শনিবার উৎসবের উদ্বোধন করেন বাউল শিল্পী গোলাম ফকির। শিল্পী গোলাম ফকির ছারাও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তী, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, শুভেন্দু অধিকারী এবং ব্রাত্য বসু। এই বছর বাণীপুর লোকউৎসবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বসানো হয়েছে তাঁর মুর্তি। বিদ্যাসাগরের মুর্তির উদ্বোধন করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এবং অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চের নাম দেওয়া হয়েছে বিদ্যাসাগরের নামে।

No comments