CAA এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মঞ্চে চলল গুলি, মৃত্যু ২ জনের। মুর্শিদাবাদের সাহেবনগরে ধুন্ধুমার।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানার সাহেবনগরে ধুন্ধুমার। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল ২ জনের। নিহতদের নাম আনওয়ারুল বিশ্বাস ও মকবুল বিশ্বাস। গুলিবিদ্ধ আরও ৩ জন ভর্তি মুর্শিদাবাদ জেলা হাসপাতালে। এর মধ্যে মিজানুর ও আলাউদ্দিন নামে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিক্ষুব্ধ জনতা একটি মারুতি ভ্যানে ভাঙচুর করেছে, একটি মোটরবাইকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এলাকায় পুলিশ টহল দিচ্ছে। মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের ডাকা সিএএ-এনআরসি বিরোধী বনধ পালন করছিল ভারতের গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। তখনই কয়েকটি মারুতি ভ্যান থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা তহিরুদ্দিন মণ্ডলের নেতৃত্বেই এই ঘটনা ঘটেছে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে।
যদিও তাহিরুদ্দিনের দাবি, সিপিআইএম-কংগ্রেস জোট বেঁধে হামলা চালিয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ভারতের গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। ঘটনায় বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন 'টিএমসি-র সংঘর্ষ মানেই গুলি-বোমা। তৃণমূলের সংঘর্ষ মানেই মৃত্যু। আসলে তৃণমূলকর্মীদের হাতে প্রচুর অস্ত্র রয়েছে।' সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিমের কটাক্ষ 'রাজ্যে প্রশাসন বলে কিছু নেই। তৃণমূলই বন্ধ প্রতিরোধ করছে। দিলীপ ঘোষের মতো গুলি কর্মসূচি পালন করছে তৃণমূলও।'
যদিও তাহিরুদ্দিনের দাবি, সিপিআইএম-কংগ্রেস জোট বেঁধে হামলা চালিয়েছে। দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ভারতের গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। ঘটনায় বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন 'টিএমসি-র সংঘর্ষ মানেই গুলি-বোমা। তৃণমূলের সংঘর্ষ মানেই মৃত্যু। আসলে তৃণমূলকর্মীদের হাতে প্রচুর অস্ত্র রয়েছে।' সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিমের কটাক্ষ 'রাজ্যে প্রশাসন বলে কিছু নেই। তৃণমূলই বন্ধ প্রতিরোধ করছে। দিলীপ ঘোষের মতো গুলি কর্মসূচি পালন করছে তৃণমূলও।'

No comments