উপনির্বাচনে তিনে তিন করে বিজেপিকে মাত দিলেন দিদি।
নজরবন্দি ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে তিনে তিন! করিমপুর, খড়গপুর এবং কালিয়াগঞ্জ তিন আসনেই বিরোধী দল বিজেপি কার্যত ধরাশায়ী হল তৃণমূলের কাছে। লোকসভা ভোটের পর পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচন ছিল আদতে ২০২১ সালের মহড়া। আর তিনে তিন করে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের। আর জয়ের কৃতিত্ব মা-মাটি-মানুষকে দিলেন দলনেত্রী।কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে কঠিন জয় হাসিল করার পর এমন প্রতিক্রিয়াই জানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দেশের অর্থনীতি, এনআরসি, সরকারি সংস্থার বেসরকারীকরণ, ব্যাঙ্কিং সমস্যা এবং বেকারত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিই বিজেপির মুখ থুবরে পড়ার কারণ, বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। করিমপুরে যে তৃণমূলের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে তা শাসক দলের নেতারা আগেই বলছিলেন। কারণ করিমপুর ২ নম্বর ব্লক সংখ্যালঘু অধ্যুষিত।
কিন্তু তৃণমূল স্বপ্নেও ভাবেনি যে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা আসনেও তাঁরা জিততে পারেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটেও কালিয়াগঞ্জে কংগ্রেসের কাছে ৪৬ হাজার ভোটে হেরেছিল তৃণমূল। ২০১৯ লোকসভা ভোটে তৃণমূল সেখানে পিছিয়ে ছিল ৫৬ হাজারেরও বেশি ভোটে। সেই ব্যবধান কমিয়ে দিয়ে তৃণমূল যে কালিয়াগঞ্জে ২৩০৪ ভোটে জিতেছে তা আদতে বিপুল জয়। একই ভাবে বরাবরই খড়্গপুর বিধানসভা আসন অধরা ছিল তৃণমূলের কাছে। ষোলোর ভোটে এবং উনিশের লোকসভা ভোটে খড়্গপুরে জিতেছিল বিজেপি। লোকসভায় সেখানে ৪৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানের জিতেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু সেই ব্যবধান মুছে দিয়ে যে ভাবে খড়্গপুরেও এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল তা ঐতিহাসিক বললে কোনও অতিশয়োক্তি হবে না।
কিন্তু তৃণমূল স্বপ্নেও ভাবেনি যে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা আসনেও তাঁরা জিততে পারেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটেও কালিয়াগঞ্জে কংগ্রেসের কাছে ৪৬ হাজার ভোটে হেরেছিল তৃণমূল। ২০১৯ লোকসভা ভোটে তৃণমূল সেখানে পিছিয়ে ছিল ৫৬ হাজারেরও বেশি ভোটে। সেই ব্যবধান কমিয়ে দিয়ে তৃণমূল যে কালিয়াগঞ্জে ২৩০৪ ভোটে জিতেছে তা আদতে বিপুল জয়। একই ভাবে বরাবরই খড়্গপুর বিধানসভা আসন অধরা ছিল তৃণমূলের কাছে। ষোলোর ভোটে এবং উনিশের লোকসভা ভোটে খড়্গপুরে জিতেছিল বিজেপি। লোকসভায় সেখানে ৪৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানের জিতেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু সেই ব্যবধান মুছে দিয়ে যে ভাবে খড়্গপুরেও এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল তা ঐতিহাসিক বললে কোনও অতিশয়োক্তি হবে না।

No comments