এন আর এস কাণ্ডের তদন্ত হবে জয়েন্ট সিপি এসটিএফ-এর নেতৃত্বে।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ। রোগীর বাড়ির আত্মীয়দের হাতে নিগৃহীত হন জুনিয়র ডাক্তাররা। রোগীর আত্মীয়দের ছোঁড়া ইটে মাথা ফেটে যায় জুনিয়র ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের। তাঁর করোটির সামনে ডানদিকের হাড় ভেঙে যায়। গুরুতর আহত হন আরও এক জুনিয়র ডাক্তারও। সেই ঘটনার জন্য এবার তদন্ত কমিটি গঠন করা হল।তদন্ত হবে জয়েন্ট সিপি এসটিএফ-এর নেতৃত্বে। সঙ্গত, রবিবার রাতে ট্যাঙরার বিবি বাগানের বাসিন্দা মহম্মদ সাহিদকে (৬৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, সোমবার বিকেলের পর থেকে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। চিকিত্সকদের গাফিলতিতেই মহম্মদ সাহিদের মৃত্যু হয়। রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে এনআরএস। এই ঘটনায় হবু চিকিৎসকরা ধর্নায় বসেছেন হাসপাতালের গেটেই, তাঁদের দাবি রোগীর পরিবারকে ক্ষমা চাইতে হবে অবিলম্বে, পাশাপাশি শাস্তি দিতে হবে দোষীদের। তাঁরা আরও অভিযোগ জানিয়েছেন এর আগেও একাধিকবার রোগীর পরিবারের হাতে মার খেতে হয়েছে তাঁদের। কাজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ধর্না চলবে বলেই জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিত্সকরা।
পরিবারের অভিযোগ, সোমবার বিকেলের পর থেকে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। চিকিত্সকদের গাফিলতিতেই মহম্মদ সাহিদের মৃত্যু হয়। রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে এনআরএস। এই ঘটনায় হবু চিকিৎসকরা ধর্নায় বসেছেন হাসপাতালের গেটেই, তাঁদের দাবি রোগীর পরিবারকে ক্ষমা চাইতে হবে অবিলম্বে, পাশাপাশি শাস্তি দিতে হবে দোষীদের। তাঁরা আরও অভিযোগ জানিয়েছেন এর আগেও একাধিকবার রোগীর পরিবারের হাতে মার খেতে হয়েছে তাঁদের। কাজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ধর্না চলবে বলেই জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিত্সকরা।

No comments