২ টোর মধ্যে কাজে যোগ দিতে হবে ডাক্তারদের, হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রীর
নজরবন্দি ব্যুরো: গতকাল আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেম সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজ অভিষেকের শুরে শুর মিলিয়ে ডাক্তারদের ফের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিক্ষোভ-আন্দোলন তুলে চার ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তৃণমূল নেত্রী। যেভাবে জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন চালাচ্ছেন তার কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, "কাজে যোগদান না করলে হোস্টেলে থাকা চলবে না। হাসপাতালে রোগী ছাড়া আর কেউ থাকবে না।"
পরে অবশ্য তিনি বলেন, " ২ টোর মধ্যে কাজে যোগ না দিলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
যদি সাধারণ মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে হসপিটালে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলে তাহলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার দাবি, বহিরাগতরাই এই আন্দোলন করছে। যারা চার ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেবে তাদের অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, "আজকের মধ্যে কাজে যোগদান না করলে সেইসব ডাক্তারদের কোনওভাবেই সাহায্য করা হবে না।"
কোনও নেতা প্রভাব খাটিয়ে আন্দোলনে মদত দিতে পারবে না। আজ এসএসকেএম-এ রোগীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবে প্রায় তিন দিন ধরে আন্দোলন চলছে তার নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "কত নেতা আছে ধরে আনুন। জোর করে আন্দোলন মানা যাবে না।" তিনি আরও বলেন, "ডাক্তারদের কাজ মানুষকে সেবা করা। রোগীকে পরিষেবা না দিলে ডাক্তার হওয়া যায় না। হাসপাতাল রাজনীতির জায়গা নয়। কয়েকজন মিলে নাটক করছে এখানে। এসব সরকার মেনে নেবে না। অবিলম্বে রোগীদের পরিষেবা দিতে হবে।"
সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে সমস্যায় পড়ে যায় রোগী ও তাদের বাড়ির লোকজন। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি ছিল, অবিলম্বে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। প্রথম দু'দিন বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি যখন ক্রমেই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে তখন আসরে নামলেন মমতা। আর এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ।
পরে অবশ্য তিনি বলেন, " ২ টোর মধ্যে কাজে যোগ না দিলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
যদি সাধারণ মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে হসপিটালে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলে তাহলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার দাবি, বহিরাগতরাই এই আন্দোলন করছে। যারা চার ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেবে তাদের অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল নেত্রীর কথায়, "আজকের মধ্যে কাজে যোগদান না করলে সেইসব ডাক্তারদের কোনওভাবেই সাহায্য করা হবে না।"
সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে সমস্যায় পড়ে যায় রোগী ও তাদের বাড়ির লোকজন। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি ছিল, অবিলম্বে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। প্রথম দু'দিন বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি যখন ক্রমেই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে তখন আসরে নামলেন মমতা। আর এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ।

No comments