Header Ads

মুকুল ঘনিষ্ঠের ডানা ছেঁটে দলবদলুদের কড়া বার্তা বিজেপি-র #Exclusive

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি ঝড় চলছে দেশ জুড়ে। কিছুদিন আগে মানিকের ত্রিপুরায় হানা দিয়েছে বিজেপি। সিপিআইএম কে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছে গেরুয়া ব্রিগেড। এখন পশ্চিমবঙ্গে যেমন চলছে সেই রকম ভাবে কিছুদিন আগেই জামা বদলে কংগ্রেস, তৃণমূলের নেতারা বিজেপি হয়েছিলেন ত্রিপুরায়।আরও পড়ুনঃ কান্নাকাটি করলে দল করতে হবে না! মারের বদলে মার দিয়ে এস, আমি আছি: দিলীপ ঘোষ
ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটের কিছুদিন আগে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সুদীপ রায় বর্মণ।
মুকুল - সুদীপের হাত ধরে ত্রিপুরার পুরো ডানপন্থী সংগঠন(কং-তৃণমূল) চলে আসে বিজেপি-তে। সুদীপ বড় ভূমিকা নেন বাম সরকারের পরাজয়ের নেপথ্যে। ভোটের পর ক্ষমতায় এসে বিজেপি নিজেদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেয় মুকুল ঘনিষ্ঠ এই নেতাকে। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের না পসন্দের তালিকায় চলে আসেন সুদীপ।আরও পড়ুনঃ মোদীর মন্ত্রীসভার ২২ জনের বিরুদ্ধেই রয়েছে ফৌজদারি মামলা! যে কারন সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও তাঁকে দলীয় দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত করে দল। এবং লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর সাথে সাথেই কালবিলম্ব না করে ত্রিপুরা মন্ত্রীসভা থেকে  সুদীপ কে বহিষ্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেয় সর্বভারতীয় বিজেপি নেতৃত্ব।কারন অমিত শাহের কাছে আগেই সুপারিশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
অন্যদিকে রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া লাগার সাথে সাথেই দলবদলুরা লাইনে দাঁড়িয়ে গেছে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার জন্যে। ক্ষমতার শিখরে থাকাই একমাত্র লক্ষ। অন্যদিকে দলীপ ঘোষ চান না জনগনের আবেগ নিয়ে খেলতে।
তাই দলবদলুদের প্রসঙ্গে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সাফ জানান, যে দল থেকেই আসবেন আসুন। কিন্তু জামার সাথে চরিত্রটাও রেখে আসতে হবে বিজেপি করতে হলে। এই দলে থাকতে হলে কঠোর অনুশাসনের মধ্যে থাকতে হবে। দাদাগিরি চলবে না। আগে দল দেখবে দলবদলে আসা ব্যাক্তি কতটা যোগ্য তারপরেই তাঁকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হবে। তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে আসতে চাওয়া নেতা নেত্রীদের নাম না করে তাঁর কড়া ইঙ্গিত "বিজেপি তে নেশন ফাস্ট, পার্টি সেকেন্ড, সেলফ লাস্ট" কিন্তু মমতা ব্যানার্জীর দলে সেলফ ফাস্ট, সেলফ সেকেন্ড, সেলফ টেনথ... সেসব বিজেপি-তে চলবে না। 

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.