রাজ্যে গেরুয়া ঝড়, তৃণমূল বিরোধী মানুষরা এককাট্টা হয়ে ভোট দিলেন বিজেপিকে৷
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৯- লোকসভা নির্বাচনের এক্সিট পোলের সম্ভাব্য ফলের পূর্বাভাষ আসার পর অনেকের কাছে সংবাদমাধ্যমগুলির পূর্বাভাষ বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি৷তার কারনটাও ছিল খুব স্বাভাবিক,কারন মাত্র কয়েকমাস আগে ৫রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একেবারে দাগ কাটতে পারিনি৷বরং মধ্যপ্রদেশ,ছত্তিশগড়,রাজস্থানেও কংগ্রেসের কাছে হেরে বিজেপির ১৯-এর লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রশ্ন চিহ্ন উঠেছিল,অন্তত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন৷৷
কিন্তু তারপরে গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল৷১৯-এর লোকসভায় রেজাল্ট আউট হওয়ার বোঝা যাচ্ছে গেরুয়া ঝড়ে বিপর্যস্ত দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি৷অনেকেই বলছেন আসলে বিরোধীদের ভোটের পর নেতা নির্বাচিত করার কথা,বা ভাবনা বা মহাজোট নাকি ফেডারেল ফ্রন্ট তৈরির প্রয়াসকে জনগন বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে৷মোদ্দা কথা বিরোধীদের বিজেপি বিরোধী জোটকে কার্যত সুবিধাবাধী জোট বলেই মনে করেছেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ৷সর্বোপরি ভোটের পর মিলিঝুলি সরকারের সম্ভাবনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করতে সারা দেশের মানুষ কিন্তু ফের ভরসা করেছেন নরেন্দ্র মোদির উপর৷ উল্টোদিকে রাজ্যে বিজেপির বিপুল উত্থানে অনেকে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন৷অনেকে বলছেন বাম ভোটের পুরোটাই সিফট হয়েছে গেরুয়া শিবিরে৷সত্যি কথা বলতে কি রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মানুষ ১১এর পরিবর্তনের পরেও তৃণমূল বিরোধী৷শত প্রলোভন,শত রাজনৈতিক প্রতিকূলতায়ও তারা সম্ভবত ২০১৬-এর বিধানসভা ভোটে যেমন তৃণমূলকে ভোট দেননি,তেমনই ২০১৯-এর ভোট পর্যন্ত তারা অপেক্ষায় ছিলেন কিভাবে হারানো যায় তৃণমূলকে৷কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় ভোট হয়েছে বাংলায়,বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন৷স্বভাবত তৃণমূল বিরোধী বিপুল সংখ্যক সেই মানুষেরা বিজেপিকে ভোট দিয়ে তৃণমূলকেই হারাতে চেয়েছিলেন৷কোনও সন্দেহ নেই এই মানুষগুলো আজ জয়ের হাসি হাসছেন,মুখে তৃপ্তির হাসি৷
তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সারা রাজ্যের বিরাট সংখ্যক মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভর বিস্ফোরনই আজ রাজ্যে বিজেপির এই অভাবনীয় সাফল্য৷আসলে তৃণমূল শীর্ষ স্তর থেকে বুথ স্তরের কর্মীরাও বুঝতে চাইতেন না রাজণীতি যেমন দুহাত ভরে দেয়,তেমন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে যতই দলের সাংগঠনিক জোর থাকুক,মানুষের তৈরি সুনামিতে সাংগঠনিক প্রতিরোধ খড়কুঠোর মত উড়ে যায়৷তবে ৩৪%আসনে পঞ্চায়েতে ভোট না দিতে পারার যন্ত্রনা বহু মানুষ সুদে-আসলে উসুল করতে পেরেছেন বলে একটা তৃপ্তির ছবি যেন আজ অনেকের চোখে-মুখে৷তার প্রতিফলনের ছবি যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখে পড়ছে,তেমনই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল বিরোধী মানুষের বডি ল্যাঙ্গোয়েজে স্পষ্ট৷সামগ্রিক ভাবে বাংলায় গেরুয়া সুনামি আসলে তৃণমূল বিরোধী মানুষদের এককাট্টা হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া৷
অনেকে এই ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের অভিযোগ তুলেছেন,তবে যে যাই অভিযোগ করুন ১৯-এর রায়ের পর বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে এটি স্পষ্ট তৃণমূলকে ক্ষমতার মসনদ থেকে সরাতে রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মনে প্রানে চেয়েছেন৷বাম-কংগ্রেসের উপর তাদের ভরসা ছিল না,স্বভাবত তারা বুঝেছেন একমাত্র বিজেপিরই দম আছে তৃণমূলকে টক্কর দেওয়ার,সেই বিশ্বাস থেকেই তারা তৃণমূলকে হারাতে ভরসা করেছেন বিজেপিকে৷বাংলায় গেরুয়া ঝড়ের বিজেপির ভোট শতাংশ বিপুল ভাবে বেড়ে যাওয়া যতনা বিজেপির নিজের,বরং তার থেকে অনেক বেশী তৃণমূল বিরোধী মানুষদের ভোটেই আজ বাংলায় বিরাট জয় বিজেপির৷
কিন্তু তারপরে গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল৷১৯-এর লোকসভায় রেজাল্ট আউট হওয়ার বোঝা যাচ্ছে গেরুয়া ঝড়ে বিপর্যস্ত দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি৷অনেকেই বলছেন আসলে বিরোধীদের ভোটের পর নেতা নির্বাচিত করার কথা,বা ভাবনা বা মহাজোট নাকি ফেডারেল ফ্রন্ট তৈরির প্রয়াসকে জনগন বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে৷মোদ্দা কথা বিরোধীদের বিজেপি বিরোধী জোটকে কার্যত সুবিধাবাধী জোট বলেই মনে করেছেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ৷সর্বোপরি ভোটের পর মিলিঝুলি সরকারের সম্ভাবনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করতে সারা দেশের মানুষ কিন্তু ফের ভরসা করেছেন নরেন্দ্র মোদির উপর৷ উল্টোদিকে রাজ্যে বিজেপির বিপুল উত্থানে অনেকে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন৷অনেকে বলছেন বাম ভোটের পুরোটাই সিফট হয়েছে গেরুয়া শিবিরে৷সত্যি কথা বলতে কি রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মানুষ ১১এর পরিবর্তনের পরেও তৃণমূল বিরোধী৷শত প্রলোভন,শত রাজনৈতিক প্রতিকূলতায়ও তারা সম্ভবত ২০১৬-এর বিধানসভা ভোটে যেমন তৃণমূলকে ভোট দেননি,তেমনই ২০১৯-এর ভোট পর্যন্ত তারা অপেক্ষায় ছিলেন কিভাবে হারানো যায় তৃণমূলকে৷কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় ভোট হয়েছে বাংলায়,বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পেরেছেন৷স্বভাবত তৃণমূল বিরোধী বিপুল সংখ্যক সেই মানুষেরা বিজেপিকে ভোট দিয়ে তৃণমূলকেই হারাতে চেয়েছিলেন৷কোনও সন্দেহ নেই এই মানুষগুলো আজ জয়ের হাসি হাসছেন,মুখে তৃপ্তির হাসি৷

No comments