লক্ষ্য জয় ছিনিয়ে আনা, সিমপ্যাথি ভোট পেতে প্রার্থী হতে পারেন মৃত বিধায়কের স্ত্রী।
নজরবন্দি ব্যুরো: সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে জিততে মরিয়া তৃণমূল শিবির। তাই তৃণমূলের নজরে সিমপ্যাথি ভোট। তাই রানাঘাট লোকসভা থেকে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সদ্য প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী।
এমনই জল্পনার শোনা যাচ্ছে শাসক দলের অন্দরে।
২০১৪-এর লোকসভায় নদিয়ার রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর দু’টি লোকসভাই ছিল তৃণমূলের দখলে। বিধানসভাতেও বড় জয় পায় তৃণমূল। কিন্তু ১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে শক্তি বাড়ায় পদ্ম শিবির।
তাই এবারের লড়াই খুব একটা সহজ হবেনা তৃণমূলের কাছে। এই পরিস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল। শনিবার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়করে মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা এবং তাঁর কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রচার শুরু করেছে জেলা তৃণমূল নেতারা।
জানা যায়, দেহরক্ষীকে ছুটি দিয়েছিলেন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস নিজেই। কেন হঠাৎ এই ছুটি দেওয়া হল? প্রশ্ন উঠতেই জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‘মানুষের কাছের লোক ছিলেন সত্য। তাই এই জেলায় তাঁকে কেউ গুলি করে মারতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবা যায়নি।’’
তৃণমূলের এখন লক্ষ্য বিধায়ক খুনের ঘটনা বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে লোকসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনা। আর সেই কথা মাথায় রেখে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেন মৃত বিধায়কের স্ত্রী। এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
২০১৪-এর লোকসভায় নদিয়ার রানাঘাট ও কৃষ্ণনগর দু’টি লোকসভাই ছিল তৃণমূলের দখলে। বিধানসভাতেও বড় জয় পায় তৃণমূল। কিন্তু ১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে শক্তি বাড়ায় পদ্ম শিবির।
তাই এবারের লড়াই খুব একটা সহজ হবেনা তৃণমূলের কাছে। এই পরিস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল। শনিবার কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়করে মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তা এবং তাঁর কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রচার শুরু করেছে জেলা তৃণমূল নেতারা।
জানা যায়, দেহরক্ষীকে ছুটি দিয়েছিলেন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস নিজেই। কেন হঠাৎ এই ছুটি দেওয়া হল? প্রশ্ন উঠতেই জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‘মানুষের কাছের লোক ছিলেন সত্য। তাই এই জেলায় তাঁকে কেউ গুলি করে মারতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবা যায়নি।’’
তৃণমূলের এখন লক্ষ্য বিধায়ক খুনের ঘটনা বিরোধী দলের উপর চাপিয়ে লোকসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনা। আর সেই কথা মাথায় রেখে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হবার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেন মৃত বিধায়কের স্ত্রী। এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

No comments