সোমবার সরস্বতী পুজোর ছুটি? কিভাবে! চরম বিভ্রান্তির শিকার শিক্ষকরা।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরস্বতী পুজো এ বার রবিবারে পড়েছে, তাই সোমবার বাড়তি এক দিন ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে সব থেকে খুশির খবর হল শুধু সরস্বতী পুজো নয়, সারাবছর(২০১৯) যে সব পুজো-পার্বণ শনি বা রবিবার পড়েছে, সবক্ষেত্রেই একই নিয়ম অর্থাৎ একদিন অতিরিক্ত ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।
কিন্তু এই সরস্বতী পুজোর ছুটি ঘিরেই চরম ধোঁয়াশার মধ্যে পড়েছেন রাজ্যের শিক্ষকরা। কারন যেহেতু সরকার ঘোষণা করেছে শনি-রবি পুজো পার্বন পড়লেই একদিন অতিরিক্ত ছুটি মিলবে তাই ছুটির হিসেব মেলাতে জটিল পরিস্থিতির স্বীকার স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা। কারন বছরে শিক্ষকদের জন্যে ৬২টি দিন সর্বোচ্চ ছুটির বিজ্ঞপ্তি আগেই দিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকার। আর সেই ছুটির তালিকায় সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে সোমবার ছুটি নির্দিষ্ট করা নেই! তাই সোমবার ছুটি হলে ৬২ দিন বেড়ে দাঁড়াবে ৬৩ দিনে। আর সরকারি নির্দেশিকা আগেই রয়েছে কিছুতেই ৬২ ডিনের বেশি ছুটি দেওয়া যাবে না!
এই বিষয়ে STEA শিক্ষক নেতা অনিমেষ হালদার জানিয়েছেন, "পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ছুটির যে স্যাম্পেল লিস্ট বের করেছে সেখানে সোমবার অর্থাৎ 11 ই ফেব্রুয়ারি কোন ছুটি নেই। এখন কোন স্কুল চাইলে সোমবার ছুটি দিতেই পারেন কিন্তু সেক্ষেত্রে ছুটি 65 'র মধ্যে কাউন্ট হবে।সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অর্থ দপ্তর 11 ই ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করলেও শিক্ষা দপ্তর এমন কোন অতিরিক্ত ছুটির অর্ডার এখনও পর্যন্ত বের করেনি। ফলে সরস্বতী পুজোর পরের দিন ছুটি নিয়ে মিডিয়ার একাংশের প্রচারে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের প্রধান শিক্ষকরা।" সুতরাং সোমবার স্কুলে ছুটি ঘোষণা নিয়ে চূড়ান্ত বিড়ম্বনার শিকার রাজ্যের শিক্ষকরা।
এই বিষয়ে STEA শিক্ষক নেতা অনিমেষ হালদার জানিয়েছেন, "পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ছুটির যে স্যাম্পেল লিস্ট বের করেছে সেখানে সোমবার অর্থাৎ 11 ই ফেব্রুয়ারি কোন ছুটি নেই। এখন কোন স্কুল চাইলে সোমবার ছুটি দিতেই পারেন কিন্তু সেক্ষেত্রে ছুটি 65 'র মধ্যে কাউন্ট হবে।সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অর্থ দপ্তর 11 ই ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করলেও শিক্ষা দপ্তর এমন কোন অতিরিক্ত ছুটির অর্ডার এখনও পর্যন্ত বের করেনি। ফলে সরস্বতী পুজোর পরের দিন ছুটি নিয়ে মিডিয়ার একাংশের প্রচারে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন রাজ্যের প্রধান শিক্ষকরা।" সুতরাং সোমবার স্কুলে ছুটি ঘোষণা নিয়ে চূড়ান্ত বিড়ম্বনার শিকার রাজ্যের শিক্ষকরা।

No comments