সেই সংস্থান আছে, শেষ পদক্ষেপ হিসেবে রাজীব কুমার কে গ্রেফতার করতে পারে সিবিআই!!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সারদা রোজভ্যালি আর্থিক প্রতারনা কান্ডে অভাবনীয় ঘটনা ঘটে গেছে কিছুক্ষন আগে । কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসভবন সহ আরও ৯টি যায়গায় একসাথে হানা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু সিবিআই আধিকারিদেরই জোর করে অপরাধীর মত গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় শেক্সপিয়ার থানার পুলিশ। পাশাপাশি চিটফান্ড কান্ডে অভিযুক্ত পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে আসার আগেই কলকাতা পুলিশ দখল নেয় সিবিআইয়ের অফিস সিজিও কম্পলেক্সে এবং রাজীব কুমারের বাড়িতে।
পুলিশের বিরাট বাহিনি ঘিরে রাখে রাজীব কুমারের বাড়ি এবং সিজিও কমপ্লেক্স। কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের করছেন সাথে মিটিং করার পর মুখ্যমন্ত্রী ধর্নার সিদ্ধান্ত নেন। এবং ধর্নায় বসেন তিনি।
সিবিআই আধিকারিকদের সাথে এই ঘটনায় মর্মাহত কেন্দ্রীয় সরকারের এক উচ্চ পদস্থ কর্তা তার প্রতিক্রিয়ায় নজরবন্দি-কে জানান। "এই ঘটনা চরম অসম্মানের। সিবিআই আধিকারিকদের হেনস্থার প্রতিবাদে এবং রাজিব কুমারের বাড়ি তল্লাশি করতে এক্ষুনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নেওয়া উচিত। কারন হিসেবে তিনি বলেন যার নামে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রমান লোপাটের অভিযোগ রয়েছে তাকে বাঁচাতে স্বয়ং মাঠে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে নিজের অফিসারদের সাহায্য করতে এক্ষুনি আসরে নামা উচিত প্রধানমন্ত্রীর!"
সেই কেন্দ্রীয় অফিসারের বক্তব্যতে কার্যত শীলমোহর দিয়ে সিআরপিফ জওয়ান দের আসরে নামায় কেন্দ্রীয় সরকার। এই মুহুর্তে সিবিআই এর অফিস সিজিও কমপ্লেক্স পুলিশের দখলমুক্ত করে নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি সেক্সপিয়ার থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের।
অন্যদিকে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সিবিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছিল, রাজীব কুমারকে একাধিক বার হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হলেও তিনি আসেননি। তাই ‘সর্বশেষ উপায়’ তথা শেষ রাস্তা হিসেবে তাঁকে গ্রেফতার করার মতো চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারেন তাঁরা। সেই সংস্থান আছে বলেও সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছিলেন ওই আধিকারিকরা।
সেক্ষেত্রে এই ঘটনার পর আজ রাতেই CRPF এঁর সহযোগিতায় রাজীব কুমার কে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছেনা।

No comments