পাকিস্তানের মদতেই হামলা! নেপথ্যে প্রাক্তন পাক সেনাপ্রধান।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর পাক অধিকৃত কাশ্মীরে রাতের অন্ধকারে সফল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিল ভারতীয় সেনার প্যারা কমান্ডোরা।
মুখে চুনকালি মাখার পর দাঁতে দাঁত চেপে কঠিন বদলা নেওয়ার কসম খেয়েছিলেন তত্কা্লীন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরিফ। তাঁর সহকর্মীদের দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি অবসর নিলেও 'বদলা' নিতেই হবে। গত দু' বছর ধরে কাশ্মীরে ও পাঞ্জাবে নানাভাবে পাল্টা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছিল পাক সেনা। কিন্তু সফল হচ্ছিল না।
অবশেষে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি নেতা মাসুদ আজহারকে সঙ্গে নিয়ে সফল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাল পাক সেনা। নেপথ্যে পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। এবার ভারত কি করে সেটা দেখার।তবে এটা বলা যায় সীমান্তের এপারে নজরদারি ও গোয়েন্দা তত্পওরতায় হয়তো ফাঁক ছিল। না হলে এরকম মর্মান্তিকভাবে এত জওয়ানকে শহিদ হতে হত না । উপযুক্ত জবাব দেওয়ার শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান। কিন্তু এবার খুব সতর্ক হয়ে গিয়েছে পাক সেনা। আগের ভুল ওরা করবে না। তাই বিরাট ঝুঁকি হবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো। কারণ বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে ভারতের।
তার উপর আবার সামনে লোকসভা ভোট। এই সময় সরাসরি যুদ্ধে যাওয়া যে ঠিক হবে না তাও মানছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু জবাব তো দিতেই হবে। কারণ ভারতকে 'হাজার ক্ষতে রক্তাক্ত করার' যে কসম খেয়েছিলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জিয়াউল হক ও জুলফিকার আলি ভুট্টোরা তা 'সুদে আসলে' ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। আর্থিকভাবে দেউলিয়া একটি দেশেকে এবার সঠিক শিক্ষা দেবার সময় এসেছে।
মুখে চুনকালি মাখার পর দাঁতে দাঁত চেপে কঠিন বদলা নেওয়ার কসম খেয়েছিলেন তত্কা্লীন পাক সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরিফ। তাঁর সহকর্মীদের দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি অবসর নিলেও 'বদলা' নিতেই হবে। গত দু' বছর ধরে কাশ্মীরে ও পাঞ্জাবে নানাভাবে পাল্টা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছিল পাক সেনা। কিন্তু সফল হচ্ছিল না।
তার উপর আবার সামনে লোকসভা ভোট। এই সময় সরাসরি যুদ্ধে যাওয়া যে ঠিক হবে না তাও মানছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু জবাব তো দিতেই হবে। কারণ ভারতকে 'হাজার ক্ষতে রক্তাক্ত করার' যে কসম খেয়েছিলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান, জিয়াউল হক ও জুলফিকার আলি ভুট্টোরা তা 'সুদে আসলে' ফিরিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। আর্থিকভাবে দেউলিয়া একটি দেশেকে এবার সঠিক শিক্ষা দেবার সময় এসেছে।

No comments