একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতি হাতছাড়া বিজেপির! #Exclusive
নিজস্ব সংবাদদাতা, বারবিশাঃ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠন করতে পারল না বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফলাফলে আলিপুরদুয়ার জেলা তো বটেই, এমনকী গোটা উত্তর বঙ্গের যে কয়েকটি পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তার মধ্যে কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতি অন্যতম। কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৩২ টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৭টি ও তৃণমূল কংগ্রেস ১৫ টি আসনে জয়ী হয়।
সম্প্রতি বিজেপি-র এক জয়ী সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় উভয় পক্ষের জয়ী সদস্য - সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায ১৬ - য়। কিন্তু এ দিন বোর্ড প্রক্রিয়া বয়কট করে বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি-র আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বারবিশায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বলেন। ফলে বিজেপি-র পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী কোনও প্রার্থী এদিন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। ১৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে এদিন বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হয়েছেন মঞ্জুলা লামা ও সহকারী সভাপতি হয়েছেন বিপ্লব নাজিনারি। এদিন টান টান উত্তেজনায় বোর্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির হলঘরে বোর্ড গঠনের সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইন - শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি কারন দেখিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর বোর্ড গঠন পিছিয়ে দেয় প্রশাসন। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর খোয়ারডাঙা জলনশ্বরী হাই স্কুলে বোর্ড গঠনের দিন ঠিক করা হয়। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে এদিন সবর হন বিজেপি-র আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। তিনি বলেন, এদিন বোর্ড গঠন উপলক্ষে আমাদের জয়ী প্রার্থীদের আক্রমণ করার ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে কৌশল করে আমাদের এক জয়ী প্রার্থীক তৃণমূল নিজেদের দিকে টেনে নিয়েছে। আমাদের বাকি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের অপহরণ করার ছক কষেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারনেই সবদিক বিবেচনা করে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া বয়কট করেছি।
পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে একদিন গঙ্গাপ্রসাদ বলেন, পুলিশের উপর আমাদের আস্থা নেই। পুলিশ আগে থেকেই তৃণমূলের লোকদের ভিতরে ঢুকিয়ে আমাদের জন্য বেরিকেড করে রেখেছে। তৃণমূল সমর্থকরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভিতরে ছিল। আমাদের সদস্যরা সেখানে গেলে তাদের অপহরণ করা হতে পরত। এমনকি তাদের প্রানহানিও ঘটতে পারতো। তাই আমরা বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া বয়কট করেছি।
এদিকে কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড করতে পেরে উল্লাসিত তৃণমূল শিবির। বিজেপি-র সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি মোহন শর্মা বলেন, পুলিশ এসকর্ট দেওয়া সত্ত্বেও বিজেপি বোর্ড গঠনের সভায় আসেনি। বিজেপি বয়কটের নাটক করছে। আসলে ওদের ৪ জন পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী সদস্য দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে চলে গিয়েছেন। তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। ফলে বিজেপি-র হাতে ছিল মাএ ১২ জন জয়ী সদস্য। এই ১২ জনকে নিয়ে বোর্ড গঠন সম্ভব নয় তা বুঝেই বিজেপি বয়কটের নাটক করছেন। মোহন বাবু আরো বলেন, মানুষ আমাদের পক্ষে আছেন, তাই আমরা বোর্ড গঠন করেছি
সম্প্রতি বিজেপি-র এক জয়ী সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় উভয় পক্ষের জয়ী সদস্য - সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায ১৬ - য়। কিন্তু এ দিন বোর্ড প্রক্রিয়া বয়কট করে বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি-র আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বারবিশায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বলেন। ফলে বিজেপি-র পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী কোনও প্রার্থী এদিন বোর্ড গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি। ১৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে এদিন বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হয়েছেন মঞ্জুলা লামা ও সহকারী সভাপতি হয়েছেন বিপ্লব নাজিনারি। এদিন টান টান উত্তেজনায় বোর্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির হলঘরে বোর্ড গঠনের সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইন - শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি কারন দেখিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর বোর্ড গঠন পিছিয়ে দেয় প্রশাসন। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর খোয়ারডাঙা জলনশ্বরী হাই স্কুলে বোর্ড গঠনের দিন ঠিক করা হয়। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে এদিন সবর হন বিজেপি-র আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। তিনি বলেন, এদিন বোর্ড গঠন উপলক্ষে আমাদের জয়ী প্রার্থীদের আক্রমণ করার ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে কৌশল করে আমাদের এক জয়ী প্রার্থীক তৃণমূল নিজেদের দিকে টেনে নিয়েছে। আমাদের বাকি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের অপহরণ করার ছক কষেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারনেই সবদিক বিবেচনা করে বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া বয়কট করেছি।
পুলিশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে একদিন গঙ্গাপ্রসাদ বলেন, পুলিশের উপর আমাদের আস্থা নেই। পুলিশ আগে থেকেই তৃণমূলের লোকদের ভিতরে ঢুকিয়ে আমাদের জন্য বেরিকেড করে রেখেছে। তৃণমূল সমর্থকরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভিতরে ছিল। আমাদের সদস্যরা সেখানে গেলে তাদের অপহরণ করা হতে পরত। এমনকি তাদের প্রানহানিও ঘটতে পারতো। তাই আমরা বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া বয়কট করেছি।
এদিকে কুমারগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড করতে পেরে উল্লাসিত তৃণমূল শিবির। বিজেপি-র সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি মোহন শর্মা বলেন, পুলিশ এসকর্ট দেওয়া সত্ত্বেও বিজেপি বোর্ড গঠনের সভায় আসেনি। বিজেপি বয়কটের নাটক করছে। আসলে ওদের ৪ জন পঞ্চায়েত সমিতির জয়ী সদস্য দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে চলে গিয়েছেন। তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। ফলে বিজেপি-র হাতে ছিল মাএ ১২ জন জয়ী সদস্য। এই ১২ জনকে নিয়ে বোর্ড গঠন সম্ভব নয় তা বুঝেই বিজেপি বয়কটের নাটক করছেন। মোহন বাবু আরো বলেন, মানুষ আমাদের পক্ষে আছেন, তাই আমরা বোর্ড গঠন করেছি
