অবশেষে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্তরিক সরকার, এবার নিয়োগ জট খুলবেই!!
নজরবন্দি ব্যুরো: শিক্ষক নিয়োগ আটকে আছে প্রায় সাত বছর। অথচ দ্রুত প্রয়োজন শিক্ষকের। তাই এবার পাল্টা মামলার পথে চলার কথা জানালেন রাজ্য সরকার। যদিও এ নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর মামলার হুমকির পরে সিপিআই(এম) এর তরফে সুজন চক্রবর্তী বলেন, “শিক্ষক লাগলে নেওয়া হোক। কিন্তু তাতে স্বচ্ছতা থাকা দরকার।”
এই স্বচ্ছতা নিয়েই দীর্ঘ দিন ধরে আইনি সমস্যা চলছে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। নিয়োগের পরীক্ষা হওয়ার কিছু দিন পরে কাউন্সেলিংয়ের নোটিশ জারি হয়। কিন্তু তার আগে তো দরকার পরীক্ষার ফল অনুযায়ী মেধাতালিকা যথা সময়ে প্রকাশ করার। মেধাতালিকা ছাড়া কাউন্সেলিংয়ের নোটিশ কী ভাবে জারি করা হল, এই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা রুজু হয়। সেই মামলায় বিচারপতি শেখর ববি শরাফ রায় দেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে।
রায় ঘোষণার পরে প্রকাশিতও হয় তালিকা। কিন্তু ফের ওঠে নতুন অভিযোগ, নতুন মামলা। এই বার পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, প্রকাশিত মেধাতালিকা অস্বচ্ছ। কে, কত নম্বর পেয়ে, তালিকার কত নম্বরে আছেন তা জানাতে হবে।চাকরি প্রার্থীদের করা দ্বিতীয় মামলায় বিচারপতি নির্দেশ দেন, মেধাতালিকার স্বচ্ছতার এফিডেভিট দিতে হবে সরকারকে। এর পাশাপাশি, প্রার্থীদেরও পরিষ্কার করতে হবে অস্বচ্ছতার জায়গাগুলি। আট সপ্তাহ পরে পরবর্তী শুনানির নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু এই আট সপ্তাহে কী হবে, তা নিয়ে বেশ চাপে উভয় পক্ষ।
এই অবস্থায় রাজ্য সরকার অভিযোগ, আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ। ফাঁকা পদ পূরণ হচ্ছে না, পিছিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের পড়াশোনা। তাই এ নিয়ে পাল্টা আইনি পথ ধরার ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথা অনুসারে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল বাতিল করা নিয়ে বারবার আদালতে যাচ্ছেন অনেকে চাকরি প্রার্থীরা।
তিনি বলেন “এবার তা হলে সরকারও হাইকোর্টমুখী হবে। আইনের জালে পঠনপাঠনের এই ব্যাঘাত সরকার বরদাস্ত করবে না।” সোমবার বিধানসভায় এই কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
এই স্বচ্ছতা নিয়েই দীর্ঘ দিন ধরে আইনি সমস্যা চলছে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। নিয়োগের পরীক্ষা হওয়ার কিছু দিন পরে কাউন্সেলিংয়ের নোটিশ জারি হয়। কিন্তু তার আগে তো দরকার পরীক্ষার ফল অনুযায়ী মেধাতালিকা যথা সময়ে প্রকাশ করার। মেধাতালিকা ছাড়া কাউন্সেলিংয়ের নোটিশ কী ভাবে জারি করা হল, এই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা রুজু হয়। সেই মামলায় বিচারপতি শেখর ববি শরাফ রায় দেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই মেধাতালিকা প্রকাশ করতে হবে।
রায় ঘোষণার পরে প্রকাশিতও হয় তালিকা। কিন্তু ফের ওঠে নতুন অভিযোগ, নতুন মামলা। এই বার পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন, প্রকাশিত মেধাতালিকা অস্বচ্ছ। কে, কত নম্বর পেয়ে, তালিকার কত নম্বরে আছেন তা জানাতে হবে।চাকরি প্রার্থীদের করা দ্বিতীয় মামলায় বিচারপতি নির্দেশ দেন, মেধাতালিকার স্বচ্ছতার এফিডেভিট দিতে হবে সরকারকে। এর পাশাপাশি, প্রার্থীদেরও পরিষ্কার করতে হবে অস্বচ্ছতার জায়গাগুলি। আট সপ্তাহ পরে পরবর্তী শুনানির নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু এই আট সপ্তাহে কী হবে, তা নিয়ে বেশ চাপে উভয় পক্ষ।
এই অবস্থায় রাজ্য সরকার অভিযোগ, আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ। ফাঁকা পদ পূরণ হচ্ছে না, পিছিয়ে যাচ্ছে রাজ্যের পড়াশোনা। তাই এ নিয়ে পাল্টা আইনি পথ ধরার ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথা অনুসারে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল বাতিল করা নিয়ে বারবার আদালতে যাচ্ছেন অনেকে চাকরি প্রার্থীরা।
তিনি বলেন “এবার তা হলে সরকারও হাইকোর্টমুখী হবে। আইনের জালে পঠনপাঠনের এই ব্যাঘাত সরকার বরদাস্ত করবে না।” সোমবার বিধানসভায় এই কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

No comments