এরাই বাম ছাত্র সংগঠন? বিজয় মিছিলের দখল নিতে হাতাহাতি! লজ্জায় মাথা হেঁট রাজ্যের বাম সমর্থকদের।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ টানা ১৪ দিন অনশন আর তার পরে জয়। আর সেই জয় পেয়ে বিজয় মিছিলের সিদ্ধান্ত নেয় মেডিকেলের ছাত্ররা। সেই বিজয় মিছিল শুরু হয়ে সবে কলেজের গেট থেকে বেরিয়েছে।
মহাত্মা গান্ধি রোডেই কাছে সেই মিছিল আটকাল এসএফআই। জয় তাদের, তাই মিছিলে থাকবেন তারাও। তাদের দাবি এই বিজয় মিছিল আসলে নাকি এসএফআইয়ের জয়।তাই মিছিলের দখল কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লেন মেডিক্যালের পড়ুয়ারা। মিছিলকে রাজনীতিমুক্ত করতে কোনও খামতি রাখেনি মেডিক্যাল পড়ুয়ারা।
তাও শেষ রক্ষা হল না। রাজনৈতিক মাতব্বররা সদলবদলে চলেই এলেন মিছিলে। তারা বলে ফেললেন-‘ মিছিল আমাদের, মিছিলে এসএফাআইও থাকবে নিজেদের হোর্ডিং নিয়ে।’ আর তাতেই বেঁকে বসেন হবু ডাক্তাররা। কোনওমতেই মিছিলকে রাজনীতির রঙে ফেলা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়৷ এরপরই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আর তার পর তর্ক, ঠেলাঠেলি।
শুধুই মেডিক্যাল পড়ুয়া-এসএফাআই নয়, এদের পাশাপাশি মিছিলে অংশগ্রহণ করতে এসেছিলে সিপিআইএমএলের ছাত্র সংগঠনও। জায়গা পেতে লড়াইয়ে নেমে পড়ে তারাও। সব মিলিয়ে মারাত্মক বিপাকের মুখে পড়েন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পড়ুয়ারা।পরে ওই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে মেডিক্যলা পড়ুয়ারাই। হোর্ডিং ছেড়েই হাটতে বাধ্য হয় দুই পক্ষ। মিছিল শেষে একে অপরের জড়িয়ে ধরে বিবাদ মিটিয়ে নেয়।
মহাত্মা গান্ধি রোডেই কাছে সেই মিছিল আটকাল এসএফআই। জয় তাদের, তাই মিছিলে থাকবেন তারাও। তাদের দাবি এই বিজয় মিছিল আসলে নাকি এসএফআইয়ের জয়।তাই মিছিলের দখল কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়লেন মেডিক্যালের পড়ুয়ারা। মিছিলকে রাজনীতিমুক্ত করতে কোনও খামতি রাখেনি মেডিক্যাল পড়ুয়ারা।
তাও শেষ রক্ষা হল না। রাজনৈতিক মাতব্বররা সদলবদলে চলেই এলেন মিছিলে। তারা বলে ফেললেন-‘ মিছিল আমাদের, মিছিলে এসএফাআইও থাকবে নিজেদের হোর্ডিং নিয়ে।’ আর তাতেই বেঁকে বসেন হবু ডাক্তাররা। কোনওমতেই মিছিলকে রাজনীতির রঙে ফেলা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়৷ এরপরই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আর তার পর তর্ক, ঠেলাঠেলি।
শুধুই মেডিক্যাল পড়ুয়া-এসএফাআই নয়, এদের পাশাপাশি মিছিলে অংশগ্রহণ করতে এসেছিলে সিপিআইএমএলের ছাত্র সংগঠনও। জায়গা পেতে লড়াইয়ে নেমে পড়ে তারাও। সব মিলিয়ে মারাত্মক বিপাকের মুখে পড়েন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পড়ুয়ারা।পরে ওই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে মেডিক্যলা পড়ুয়ারাই। হোর্ডিং ছেড়েই হাটতে বাধ্য হয় দুই পক্ষ। মিছিল শেষে একে অপরের জড়িয়ে ধরে বিবাদ মিটিয়ে নেয়।

No comments