কংগ্রেসেকে সামনে রেখে লড়াইয়ে নামতে চান ওমর আবদুল্লা। তৃণমূলের অবস্থান এখনও অস্পষ্ট! কেন?
নজরবন্দি ব্যুরঃ কংগ্রেসকে সামনে রেখেই বিজেপি বিরোধী জোটবদ্ধ লড়াইয়ের বার্তা দিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। শনিবার কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সনিয়া গান্ধী জোটের ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আবদুল্লা।
শুক্রবার নবান্নে এসেছিলেন ওমর আবদুল্লা। বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, জোটের নেতা কে হবেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, জোটের নাম কী হবে সেটা বড় কথা নয়, জোট গঠন করে বিজেপিকে হারানোই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
শুক্রবারের কথার রেশ ধরে শনিবারও একই কথা বলেন ওমর আবদুল্লা। তিনি জানান, দেশের সব আঞ্চলিক দলগুলিকে বিজেপির বিরুদ্ধে একত্রিত হতে হবে। এই ব্যাপারে সনিয়া গান্ধী নিজে উদ্যোগী হয়েছেন। উদ্যোগী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলছেন আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে।
কংগ্রেস জাতীয় দল। দেশের সব রাজ্যে তাদের অস্তিত্ব আছে। জাতীয় বিরোধীদল হিসেবে কংগ্রেসেরই বিজেপিকে ঠেকানোর ক্ষমতা আছে বলে দাবি করেন ওমর আবদুল্লা।কিন্তু প্রশ্ন উঠছে দেশ জুড়ে যেভাবে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়ে উঠছে সেই জোটে কি তৃণমূল কংগ্রেস থাকছে? কিন্তু এই বিষয়ে এই রাজ্যের কংগ্রেস নেতাদের ধারণা ভিন্ন! উল্লেখ্য, সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর তার প্রায় এক বছর আগে থেকে দেশের প্রতিটা রাজনৈতিক দলের কাণ্ডারিরা তারা তাদের রাজনৈতিক ঘুঁটি সাজানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। তবে স্বাধীনতার পর থেকে যে কটি লোকসভা নির্বাচন হয়েছে এবারের নির্বাচন একটু অন্য ধরনের বৈশিষ্ট্যের দাবি রাখে। এবারের নির্বাচন যেন বিজেপি বনাম বিজেপি বিরোধী শক্তির লড়াই।
আর তাই নির্বাচনের এক বছর আগে থেকে সারা দেশ চষে ফেলেছেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপি আই(এম) এর সাধারণ সম্পাদক ইয়েচুরি। লক্ষ্য একটাই, বিজেপি বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করা। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ের রণকৌশল নিয়ে এখনও পর্যন্ত কমকরে ৪ বার গোপন বৈঠক করেছেন রাহুল ও ইয়েচুরি। এমনকি আজ(বৃহস্পতিবার) ও দুজনে একটি গোপন বৈঠক সারেন বলে দাবি বিশ্বস্ত সূত্রের। আর সেই বৈঠক থেকে পাওয়া খবর অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে সিপি আই(এম) ও কংগ্রেসের মধ্যে অ্যালায়েন্স হচ্ছে তা নিশ্চিত। কিন্তু তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, গত দু-দিন ধরে বেশকিছু বাজারি মিডিয়া ও সোশাল সাইট গুলোতে ছড়ানো হচ্ছে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী করতে আপত্তি নেই কংগ্রেস হাই কমাণ্ডের। তাহলে এমন খবর রটছে কেন?
এক কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ বিশিষ্ট অধ্যাপকের কথা অনুসারে। এই রাজ্যে বিধায়ক বাড়ানো নয়, কংগ্রেস দলকে বাঁচাতে নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি তিনি নাকি এমন কথাও জানিয়েছেন, কংগ্রেস তৃণমূলের সাথে জোট করে যে ভুল করে ছিলো, আর সেই ভুল করবেনা দল।
কিন্তু এটা ঠিক যদি এমন হয় নির্বাচনের পরে কোন দল ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারলো না, তখন বিজেপি বিরোধী জোট যদি সিদ্ধান্ত নেয় মমতাকে, মায়াবতী, ইয়েচুরি বা অন্য যে কোনও নেতা বা নেতৃকে প্রধানমন্ত্রী করে বিজেপিকে ঠেকাবে, তাতে কংগ্রেস কোন বিরোধীতা করবে না।
শুক্রবার নবান্নে এসেছিলেন ওমর আবদুল্লা। বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, জোটের নেতা কে হবেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, জোটের নাম কী হবে সেটা বড় কথা নয়, জোট গঠন করে বিজেপিকে হারানোই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
শুক্রবারের কথার রেশ ধরে শনিবারও একই কথা বলেন ওমর আবদুল্লা। তিনি জানান, দেশের সব আঞ্চলিক দলগুলিকে বিজেপির বিরুদ্ধে একত্রিত হতে হবে। এই ব্যাপারে সনিয়া গান্ধী নিজে উদ্যোগী হয়েছেন। উদ্যোগী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলছেন আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে।
কংগ্রেস জাতীয় দল। দেশের সব রাজ্যে তাদের অস্তিত্ব আছে। জাতীয় বিরোধীদল হিসেবে কংগ্রেসেরই বিজেপিকে ঠেকানোর ক্ষমতা আছে বলে দাবি করেন ওমর আবদুল্লা।কিন্তু প্রশ্ন উঠছে দেশ জুড়ে যেভাবে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়ে উঠছে সেই জোটে কি তৃণমূল কংগ্রেস থাকছে? কিন্তু এই বিষয়ে এই রাজ্যের কংগ্রেস নেতাদের ধারণা ভিন্ন! উল্লেখ্য, সামনেই লোকসভা নির্বাচন। আর তার প্রায় এক বছর আগে থেকে দেশের প্রতিটা রাজনৈতিক দলের কাণ্ডারিরা তারা তাদের রাজনৈতিক ঘুঁটি সাজানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। তবে স্বাধীনতার পর থেকে যে কটি লোকসভা নির্বাচন হয়েছে এবারের নির্বাচন একটু অন্য ধরনের বৈশিষ্ট্যের দাবি রাখে। এবারের নির্বাচন যেন বিজেপি বনাম বিজেপি বিরোধী শক্তির লড়াই।
আর তাই নির্বাচনের এক বছর আগে থেকে সারা দেশ চষে ফেলেছেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপি আই(এম) এর সাধারণ সম্পাদক ইয়েচুরি। লক্ষ্য একটাই, বিজেপি বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করা। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ের রণকৌশল নিয়ে এখনও পর্যন্ত কমকরে ৪ বার গোপন বৈঠক করেছেন রাহুল ও ইয়েচুরি। এমনকি আজ(বৃহস্পতিবার) ও দুজনে একটি গোপন বৈঠক সারেন বলে দাবি বিশ্বস্ত সূত্রের। আর সেই বৈঠক থেকে পাওয়া খবর অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে সিপি আই(এম) ও কংগ্রেসের মধ্যে অ্যালায়েন্স হচ্ছে তা নিশ্চিত। কিন্তু তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, গত দু-দিন ধরে বেশকিছু বাজারি মিডিয়া ও সোশাল সাইট গুলোতে ছড়ানো হচ্ছে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী করতে আপত্তি নেই কংগ্রেস হাই কমাণ্ডের। তাহলে এমন খবর রটছে কেন?
এক কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ বিশিষ্ট অধ্যাপকের কথা অনুসারে। এই রাজ্যে বিধায়ক বাড়ানো নয়, কংগ্রেস দলকে বাঁচাতে নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি তিনি নাকি এমন কথাও জানিয়েছেন, কংগ্রেস তৃণমূলের সাথে জোট করে যে ভুল করে ছিলো, আর সেই ভুল করবেনা দল।
কিন্তু এটা ঠিক যদি এমন হয় নির্বাচনের পরে কোন দল ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারলো না, তখন বিজেপি বিরোধী জোট যদি সিদ্ধান্ত নেয় মমতাকে, মায়াবতী, ইয়েচুরি বা অন্য যে কোনও নেতা বা নেতৃকে প্রধানমন্ত্রী করে বিজেপিকে ঠেকাবে, তাতে কংগ্রেস কোন বিরোধীতা করবে না।

No comments