দিদির মানবিক মুখ দেখে লজ্জায় মাথা হেঁট আহতদের, ২৮ শে জুলাইয়ের সভায় থাকছেন ওরা!
অনলাইন ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু মুখ্যমন্ত্রী নয়, তিনি এই রাজ্যের সবার দিদি। আর দিদির মানবিক মুখ দেখে এখন ওদের লজ্জায় মাথা হেঁট। কেন ভুল পথে পা বাড়ালাম! সেই সময় নিজেদেরকে বিজেপি কর্মী বলে নরেন্দ্রমোদীকে দেখতে গিয়েছিলেন ১৬ই জুলাই বিজেপির সমাবেশে। কিন্তু বুঝতে পারেননি প্যান্ডেল ঠিক মতো তৈরী না করার দরুন এতো বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। তবে প্রধানমন্ত্রী দেখতে এসেছিলেন, কিন্তু তার পর কোনও বিজেপি নেতাদের দেখা যায়নি এই আহত মানুষদের পাশে। আহত বিজেপি কর্মীরা কিভাবে বাড়ি ফিরবেন তাও তারা কোনও রকম ব্যবস্থায় করে দেননি।
এর পাশাপাশি,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯ জুলাই আহতদের দেখতে আসেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের ১ লক্ষ টাকা ও নার্সিংহোমে ভর্তি থাকা আহতদের ৫০ হাজার টাকার সাহায্য ঘোষণা করেন। পরদিনই চেক ইসু করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ–তহবিল থেকে। তৃণমূল মোদীর পাল্টা সভা করবে বলে খবর ছিল বিজেপি–র কাছে। কিন্তু এত অল্প সময়ে এই সভার ডাক দিয়ে কার্যত বিজেপিকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূলের এই সভা মোদীর সভাকে ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করেন অনেকে। মোদীর সভায় প্যান্ডেল ভেঙে আহত হন ৯০ জন। আহতদের দেখতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সাহায্যের আশ্বাস তখনই দেন তিনি।
আহতরা জানিয়েছেন দুর্ঘটনার পর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বিজেপি নেতারা। সাহায্যের চেক হাতে পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন সুমিত্রা মাহাতো, শকুন্তলা মাহাতো, কৌশিক মাহাতোরা। তাঁরা ও তাঁদের বাড়ির লোকেরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর এই অবদান তাঁরা কোনওদিন ভুলবেন না। তাঁরা কৃতজ্ঞ। তাঁরা বিজেপি–র সভায় এসে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ে আহত হয়েছেন। অথচ তাঁরাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আর যে দলকে সরানোর জন্য এই সভা, সেই দলের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দেখতে হাসপাতালে এলেন। পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। চিকিৎসার সবরকম দায়িত্ব নিয়েছেন।
তাঁরা গরিব পরিবার। চিকিৎসার আনুষঙ্গিক খরচ চালানোর জন্য ১ লক্ষ টাকার চেক দিলেন। এটা তাঁরা ভাবতেই পারেননি। আহত উত্তম দাস, সূর্যকান্ত চন্দ্র, নিরঞ্জন দাস, মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক মুখ দেখে তাঁরা আপ্লুত। সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁরা ২৮ জুলাইয়ের তৃণমূলের সভায় আবার মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে থাকছেন। তাঁরা না আসতে পারলে, তাঁদের বাড়ির লোকেরা অবশ্যই আসবেন ওই সভাতে। কথা দিলেন আহত বিজেপি কর্মীরা।
এর পাশাপাশি,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯ জুলাই আহতদের দেখতে আসেন এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের ১ লক্ষ টাকা ও নার্সিংহোমে ভর্তি থাকা আহতদের ৫০ হাজার টাকার সাহায্য ঘোষণা করেন। পরদিনই চেক ইসু করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ–তহবিল থেকে। তৃণমূল মোদীর পাল্টা সভা করবে বলে খবর ছিল বিজেপি–র কাছে। কিন্তু এত অল্প সময়ে এই সভার ডাক দিয়ে কার্যত বিজেপিকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূলের এই সভা মোদীর সভাকে ছাপিয়ে যাবে বলে মনে করেন অনেকে। মোদীর সভায় প্যান্ডেল ভেঙে আহত হন ৯০ জন। আহতদের দেখতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের সাহায্যের আশ্বাস তখনই দেন তিনি।
আহতরা জানিয়েছেন দুর্ঘটনার পর মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বিজেপি নেতারা। সাহায্যের চেক হাতে পেয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেছিলেন সুমিত্রা মাহাতো, শকুন্তলা মাহাতো, কৌশিক মাহাতোরা। তাঁরা ও তাঁদের বাড়ির লোকেরা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর এই অবদান তাঁরা কোনওদিন ভুলবেন না। তাঁরা কৃতজ্ঞ। তাঁরা বিজেপি–র সভায় এসে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ে আহত হয়েছেন। অথচ তাঁরাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আর যে দলকে সরানোর জন্য এই সভা, সেই দলের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দেখতে হাসপাতালে এলেন। পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। চিকিৎসার সবরকম দায়িত্ব নিয়েছেন।
তাঁরা গরিব পরিবার। চিকিৎসার আনুষঙ্গিক খরচ চালানোর জন্য ১ লক্ষ টাকার চেক দিলেন। এটা তাঁরা ভাবতেই পারেননি। আহত উত্তম দাস, সূর্যকান্ত চন্দ্র, নিরঞ্জন দাস, মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক মুখ দেখে তাঁরা আপ্লুত। সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁরা ২৮ জুলাইয়ের তৃণমূলের সভায় আবার মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে থাকছেন। তাঁরা না আসতে পারলে, তাঁদের বাড়ির লোকেরা অবশ্যই আসবেন ওই সভাতে। কথা দিলেন আহত বিজেপি কর্মীরা।

No comments