বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন চন্দ্রকুমার বসু! শিবির পরিবর্তনের ইঙ্গিত?
নজরবন্দি ব্যুরো: নিজের অবস্থানে অনড় থাকলেন চন্দ্রকুমার বসু। মহাত্মা গান্ধী এবং পাঁঠার মাংস নিয়ে করা টুইটে নিজের অবস্থানে অনড় নেতাজির প্রপৌত্র চন্দ্রকুমার বসু।
তিনি জানিয়েছেন, তিনি কিছু ভুল বলেননি। তিনি শনিবার বলেন, তার টুইটের অর্থ না বুঝেই হইচই করছে বিজেপি। এই বিতর্কের সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। চন্দ্রকুমার বসু গত বৃহস্পতিবার এক টুইটে লেখেন, যদি সংখ্যালঘুদের গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে হিন্দুদেরও পাঁঠার মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। কারণ মহাত্মা গান্ধী ছাগলের দুধ পান করতেন এবং ছাগলকে মা বলে ডাকতেন। আর এরপরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
এর পরে তিনি আরও বলেন, শৈশবে তিনি দেখেছিলেন, তাদের বাড়িতে যখন মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু আসতেন, তখন তার ঠাকুরদা শরত্‍চন্দ্র দু'টি ছাগল এনে বাড়িতে রেখে ছিলেন। কারণ গান্ধীজি ছাগলের দুধ খেতে ভাল বাসতেন এবং ছাগলকে মা বলে ডাকতেন। সেই অর্থে ছাগলও হিন্দুদের কাছে মাতৃসম। তাহলে পাঁঠার মাংসও খেতে পারে না হিন্দুরা? বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এরপর থেকেই বসুর এই টুইট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। তার টুইট নিয়ে ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায় পাল্টা টুইট করে বলেন, গান্ধীজি বা তার সমসাময়িক নেতারা নিজেদের হিন্দু ধর্মের রক্ষক বলে নিজেদের ঘোষণা করেননি বা ছাগলকে মা বলে ডাকেননি। এটা চন্দ্রকুমারের নিজস্ব মন্তব্য।
এর পাল্টা টুইটের প্রতিক্রিয়ায় চন্দ্রকুমার বলেন, রাজনীতি এবং ধর্ম কখনও এক করে ফেলা উচিত নয়। নিজের অবস্থানে অনড় চন্দ্রকুমার শনিবার এ বিষয়ে বলেন, গো হত্যার নামে সংখ্যালুদের ওপর যেভাবে হিংসাত্মক ঘটনা বেড়ে চলেছে তাতে সারা বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
দলীয় নেতা তথা নেতাজির বংশধরের এহেন মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে চন্দ্রকুমার বসুর মতন বিজেপি নেতার এই ভাবে প্রকাশ্যে বিজেপির বিরোধীতা করা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশের মতে, বসু শিবির পরিবর্তনের জন্য এমন সব বিতর্কিত কথা বলছেন!
তিনি জানিয়েছেন, তিনি কিছু ভুল বলেননি। তিনি শনিবার বলেন, তার টুইটের অর্থ না বুঝেই হইচই করছে বিজেপি। এই বিতর্কের সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। চন্দ্রকুমার বসু গত বৃহস্পতিবার এক টুইটে লেখেন, যদি সংখ্যালঘুদের গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে হিন্দুদেরও পাঁঠার মাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে। কারণ মহাত্মা গান্ধী ছাগলের দুধ পান করতেন এবং ছাগলকে মা বলে ডাকতেন। আর এরপরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
এর পরে তিনি আরও বলেন, শৈশবে তিনি দেখেছিলেন, তাদের বাড়িতে যখন মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু আসতেন, তখন তার ঠাকুরদা শরত্‍চন্দ্র দু'টি ছাগল এনে বাড়িতে রেখে ছিলেন। কারণ গান্ধীজি ছাগলের দুধ খেতে ভাল বাসতেন এবং ছাগলকে মা বলে ডাকতেন। সেই অর্থে ছাগলও হিন্দুদের কাছে মাতৃসম। তাহলে পাঁঠার মাংসও খেতে পারে না হিন্দুরা? বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এরপর থেকেই বসুর এই টুইট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। তার টুইট নিয়ে ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায় পাল্টা টুইট করে বলেন, গান্ধীজি বা তার সমসাময়িক নেতারা নিজেদের হিন্দু ধর্মের রক্ষক বলে নিজেদের ঘোষণা করেননি বা ছাগলকে মা বলে ডাকেননি। এটা চন্দ্রকুমারের নিজস্ব মন্তব্য।
এর পাল্টা টুইটের প্রতিক্রিয়ায় চন্দ্রকুমার বলেন, রাজনীতি এবং ধর্ম কখনও এক করে ফেলা উচিত নয়। নিজের অবস্থানে অনড় চন্দ্রকুমার শনিবার এ বিষয়ে বলেন, গো হত্যার নামে সংখ্যালুদের ওপর যেভাবে হিংসাত্মক ঘটনা বেড়ে চলেছে তাতে সারা বিশ্বের কাছে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
দলীয় নেতা তথা নেতাজির বংশধরের এহেন মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে চন্দ্রকুমার বসুর মতন বিজেপি নেতার এই ভাবে প্রকাশ্যে বিজেপির বিরোধীতা করা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশের মতে, বসু শিবির পরিবর্তনের জন্য এমন সব বিতর্কিত কথা বলছেন!

No comments