কলকাতার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের স্কুলের বেহাল দশা! হুঁশ নেই সরকারের।
নজরবন্দি ব্যুরো: বহু পুরানো এই স্কুল। বর্ষায় ছাদ থেকে পড়ছে জল। কখনও খসে পড়ছে দেওয়ালের অংশ। কদিন আগেই লোহার সিলিং থেকে ফ্যান ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। একটু বেশি বৃষ্টি হয়ে জল ঢুকে পড়ে ক্লাসরুমের মধ্যে। বৃষ্টি হলেই শিক্ষকরা বাধ্য হয় স্কুল ছুটি দিতে। এমন চিত্র সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুর নিম্ন বুনিয়াদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ আমলে ১৯১৭ সালে তৈরি হয় এই স্কুল। তারপর থেকে স্কুল সংস্কারে হাত লাগায়নি কোন সরকার। বর্তমানে স্কুলের বিল্ডিং-এর ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। জায়গায় জায়গায় ভেঙে পড়ছে চাঙড়।প্রতিবছর বর্ষাকালে সমস্যাতে পড়ে ছাত্র ও শিক্ষকরা। এবারও বর্ষায় ছুটি দিতে হয়েছে।
সোনারপুর মোড় থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার ভিতরে এই স্কুলে মোট ৩৪২ জন পড়ুয়া আছে। শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন।
স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এস আই কে সব জানিয়েই ছাত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে। সামনেই পরীক্ষা ৷ তারপরেও স্কুলে আসতে না পারায় সমস্যায় ছাত্রছাত্রীরাও ৷ শিক্ষকরা নিয়ম মেনে রোজ আসলেও আতঙ্কের মধ্যেই স্কুলঘরে বসতে হয় তাদের। স্কুল বিল্ডিং ভাঙার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নতুন বিল্ডিং তৈরির জন্য তহবিল না থাকায় ভাঙার কাজে হাত দিতে পারা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন তিনি রাজ্যের সব কাজ সেরে ফেলেছেন। কিন্তু তার পরেও কলকাতার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের একটি স্কুলের এমন বেহাল অবস্থা! যা নিয়ে বেশ চিন্তায় অভিভাবক থেকে শিক্ষক সবাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিটিশ আমলে ১৯১৭ সালে তৈরি হয় এই স্কুল। তারপর থেকে স্কুল সংস্কারে হাত লাগায়নি কোন সরকার। বর্তমানে স্কুলের বিল্ডিং-এর ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। জায়গায় জায়গায় ভেঙে পড়ছে চাঙড়।প্রতিবছর বর্ষাকালে সমস্যাতে পড়ে ছাত্র ও শিক্ষকরা। এবারও বর্ষায় ছুটি দিতে হয়েছে।
সোনারপুর মোড় থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার ভিতরে এই স্কুলে মোট ৩৪২ জন পড়ুয়া আছে। শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন।
স্কুলের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এস আই কে সব জানিয়েই ছাত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে। সামনেই পরীক্ষা ৷ তারপরেও স্কুলে আসতে না পারায় সমস্যায় ছাত্রছাত্রীরাও ৷ শিক্ষকরা নিয়ম মেনে রোজ আসলেও আতঙ্কের মধ্যেই স্কুলঘরে বসতে হয় তাদের। স্কুল বিল্ডিং ভাঙার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নতুন বিল্ডিং তৈরির জন্য তহবিল না থাকায় ভাঙার কাজে হাত দিতে পারা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন তিনি রাজ্যের সব কাজ সেরে ফেলেছেন। কিন্তু তার পরেও কলকাতার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের একটি স্কুলের এমন বেহাল অবস্থা! যা নিয়ে বেশ চিন্তায় অভিভাবক থেকে শিক্ষক সবাই।

No comments