Header Ads

প্রাক পঞ্চায়েত 'শাসক-সন্ত্রাস' বাড়ছে! আধমরা বিরোধীরা! সায় রয়েছে পুলিশমন্ত্রীর?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ঘোষণা হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের তারিখ। আর তারপর থেকেই বিরোধীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কুরুক্ষেত্র পরিস্থিতি রাজ্য জুড়ে। দা, তরোয়াল, পিস্তল, বোমা নিয়ে শাসক দলের গুন্ডা বাহিনী নেমে পড়েছে ময়দানে। বিরোধী নেতাদের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যেনতেন প্রকারেণ বাঁধা দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ বিরোধীদের।
মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়াকে ঘিরে শাসকের সন্ত্রাস অব্যাহত রইলো এদিনও। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এলাকায় বিডিও অফিসে বিজেপির তরফে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল বাহিনী। বিজেপি কর্মীদের বোমা গুলি নিয়ে আক্রমণ করা হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এলাকায়। অবস্থা সামাল দিতে পুলিশ পৌঁছলে পিছু হটে তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা।

গত কয়েকদিন ধরে পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত গোটা রাজ্য। বীরভূমে বিজেপি নেতাকে ছুরি মারা থেকে শুরু করে একাধিক এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে সশাসক দলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সামনেই বিরোধীদের মারধোর করছে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী, কোথাও কোথাও এমন অভিযোগও তুলেছে বিরোধী শিবির।

রাজ্যের এই অরাজক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সেই সাথে মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। লাগামছাড়া সন্ত্রাস সৃষ্টিতে যখন উঠে আসছে তাঁর দলের কর্মী সমর্থকদের নাম তখন তিনি কেন চুপ করে থেকে সেই ঘটনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন? নির্বাচন এককথায় অশান্তির আবহে যখন ঢেকে ফেলেছে গোটা রাজ্যের শান্তি ব্যবস্থাকে তখন মুখ্যমন্ত্রী কেন নির্বাক দর্শকের ভূমিকা নিচ্ছেন? তবে কি এই গুন্ডারাজ সৃষ্টিতে তাঁরও সম্মতি রয়েছে? খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.