নেই শিক্ষক নিয়োগ, বন্ধ হতে পারে বহু সরকারি স্কুল।
নজরবন্দি ব্যুরো: এবার শিক্ষাব্যবস্থায় শহরের ছোঁয়া গ্রামেও। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, গ্রামাঞ্চলে সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমে গিয়েছে। এক হাজার স্কুল এখনই বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে স্কুলের পড়ুয়ারা যাচ্ছে কোথায়? স্কুলশিক্ষা দফতরের ব্যাখ্যা , পড়ুয়ারা যাচ্ছে বেসরকারি স্কুলে।সর্ব-শিক্ষা মিশনের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা কমেছে। বাড়ছে বেসরকারি স্কুল।
পড়ুয়ার অভাবে কলকাতার প্রায় ৭৫ টি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল স্কুলশিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যে কিছু স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওই দফতরের এক কর্তা জানালেন, সর্ব-শিক্ষা রিপোর্ট যে সব বেসরকারি স্কুলের উল্লেখ রয়েছে, তার মধ্যে আইসিএসি, সিবিএসই-র মতন বোর্ডের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল তো রয়েছে। সেই সঙ্গে এমন কিছু স্কুল আছে, যেগুলি নিজেদের খরচে চলে, কিন্তু পড়াশুনা হয় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ও মধ্য-শিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যক্রম অনুসারে। প্রশ্ন উঠছে পাঠ্যক্রম ও সুযোগসুবিধা তো একই। তা হলে বেসরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে কেন?
এই নিয়ে রাজ্যের শিক্ষকদের ব্যাখ্যা, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে তিন বছর আগে। একাধিক মামলা ও রাজ্য সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের ফলে আটকে আছে নিয়োগ। আর এর ফলে যথার্থ পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয় রাজ্যের স্কুল গুলির ক্ষেত্রে। তাই বেসরকারি স্কুলে ভিড় বাড়ছে।
প্রশ্ন উঠছে স্কুলের পড়ুয়ারা যাচ্ছে কোথায়? স্কুলশিক্ষা দফতরের ব্যাখ্যা , পড়ুয়ারা যাচ্ছে বেসরকারি স্কুলে।সর্ব-শিক্ষা মিশনের সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা কমেছে। বাড়ছে বেসরকারি স্কুল।
পড়ুয়ার অভাবে কলকাতার প্রায় ৭৫ টি স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল স্কুলশিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যে কিছু স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওই দফতরের এক কর্তা জানালেন, সর্ব-শিক্ষা রিপোর্ট যে সব বেসরকারি স্কুলের উল্লেখ রয়েছে, তার মধ্যে আইসিএসি, সিবিএসই-র মতন বোর্ডের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল তো রয়েছে। সেই সঙ্গে এমন কিছু স্কুল আছে, যেগুলি নিজেদের খরচে চলে, কিন্তু পড়াশুনা হয় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ ও মধ্য-শিক্ষা পর্ষদের পাঠ্যক্রম অনুসারে। প্রশ্ন উঠছে পাঠ্যক্রম ও সুযোগসুবিধা তো একই। তা হলে বেসরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে কেন?
এই নিয়ে রাজ্যের শিক্ষকদের ব্যাখ্যা, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে তিন বছর আগে। একাধিক মামলা ও রাজ্য সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের ফলে আটকে আছে নিয়োগ। আর এর ফলে যথার্থ পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয় রাজ্যের স্কুল গুলির ক্ষেত্রে। তাই বেসরকারি স্কুলে ভিড় বাড়ছে।
No comments