তড়িঘড়ি ভোটের দিন ঘোষণা করে বেকায়দায় তৃণমূল সুপ্রিমো! শ্যাম রাখবেন নাকি কূল!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল ব্যস্ত হয়ে পড়েছে নিজের নিজের ঘোর গোছাতে। জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেছে মনোনয়ন জমা দেওয়া, দেওয়াল লেখার কাজ। কিন্তু এই নির্বাচনে দিন ঘোষণার পর থেকেই শাসক দল তথা তৃণমূল নেতৃত্ব এক নয়া সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।
সংকট হল, নির্বাচনের টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে। জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থী রয়েছে তাদের। ফলে বহু জায়গাতেই সবার মন রেখে টিকিট দেওয়া যাচ্ছে না। যারা টিকিট পাচ্ছেন না তারা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন পদত্যাগ করবেন বা দল ছাড়বেন। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহলে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে।
মনোনয়ন শুরু হতেই ঝালদা, জয়পুর, বাঘমুন্ডি প্রভৃতি অঞ্চলে প্রার্থী হওয়ার জোর লড়াই চলছে তৃণমূলের মধ্যেই। যেমন, পুরুলিয়ার বিভিন্ন ব্লকে একাধিক নেতা হুমকি দিচ্ছেন, প্রার্থী করা না হলে তারা দলত্যাগ করবেন। দলের পদ নয়, তারা চান ভোটে দাঁড়ানোর টিকিট। যেমন, ঝালদা ২ নং ব্লকের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি ইতিমধ্যেই জেলা সভাপতির কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ, তাঁকে প্রার্থী করা হচ্ছে না। তার পথ অনুসরণ করে অন্যরাও একই হুমকি দিচ্ছেন।
তৃণমূল অবশ্য এই সমস্যাকে সমাধান করার বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে চলেছে। তারা ব্লকে ব্লকে মিটিং করে নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দল যা বলবে সেটাই মেনে নিতে হবে। যেমন, গতকাল দলের মহাসচিব পার্থ বাবু বলেন, "অনেক বড় দল। অনেক মানুষের সমর্থন, তাই অনেক বাসন একসাথে থাকলে যেমন ঠোকাঠুকি লাগে তেমনই দলে এইরকম ছোট ছোট ঝামেলা থাকবে। আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। তাঁর কথা মেনেই আমরা দল করি।"
পার্থ চট্টোপাধ্যায় যতই বলুন এই অল্প সময়ের মধ্যে জেলা নেতাদের বুঝিয়ে কতটা সুবিধা করতে পারবে তাঁর দল বা এই সমস্যা ভোটের আগে কতটা মিটবে সে ব্যাপারে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।
সংকট হল, নির্বাচনের টিকিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে। জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থী রয়েছে তাদের। ফলে বহু জায়গাতেই সবার মন রেখে টিকিট দেওয়া যাচ্ছে না। যারা টিকিট পাচ্ছেন না তারা হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন পদত্যাগ করবেন বা দল ছাড়বেন। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহলে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে।
মনোনয়ন শুরু হতেই ঝালদা, জয়পুর, বাঘমুন্ডি প্রভৃতি অঞ্চলে প্রার্থী হওয়ার জোর লড়াই চলছে তৃণমূলের মধ্যেই। যেমন, পুরুলিয়ার বিভিন্ন ব্লকে একাধিক নেতা হুমকি দিচ্ছেন, প্রার্থী করা না হলে তারা দলত্যাগ করবেন। দলের পদ নয়, তারা চান ভোটে দাঁড়ানোর টিকিট। যেমন, ঝালদা ২ নং ব্লকের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি ইতিমধ্যেই জেলা সভাপতির কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ, তাঁকে প্রার্থী করা হচ্ছে না। তার পথ অনুসরণ করে অন্যরাও একই হুমকি দিচ্ছেন।
তৃণমূল অবশ্য এই সমস্যাকে সমাধান করার বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে চলেছে। তারা ব্লকে ব্লকে মিটিং করে নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দল যা বলবে সেটাই মেনে নিতে হবে। যেমন, গতকাল দলের মহাসচিব পার্থ বাবু বলেন, "অনেক বড় দল। অনেক মানুষের সমর্থন, তাই অনেক বাসন একসাথে থাকলে যেমন ঠোকাঠুকি লাগে তেমনই দলে এইরকম ছোট ছোট ঝামেলা থাকবে। আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। তাঁর কথা মেনেই আমরা দল করি।"
পার্থ চট্টোপাধ্যায় যতই বলুন এই অল্প সময়ের মধ্যে জেলা নেতাদের বুঝিয়ে কতটা সুবিধা করতে পারবে তাঁর দল বা এই সমস্যা ভোটের আগে কতটা মিটবে সে ব্যাপারে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।
No comments