ভোটের আগে হবে টেট পরীক্ষা? খোলসা করলো পর্ষদ!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক জতিলতায় কার্যত দিশেহারা রাজ্যের চাকরি প্রার্থীরা। টেট পাশ করেও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া কিংবা হাইকোর্টের রায়ের পরেও নিয়োগ পত্র হাতে না পাওয়া এসব সমস্যা তো রয়েছেই, তার সাথে রয়েছে আরও নানা সমস্যা।
গত ২০১৭ সালে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পর্ষদ যেখানে বলা হয় টেট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন জমা করেন চাকরি প্রার্থীরা। কয়েক লক্ষ আবেদন জমা পড়ে। তবে কবে ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে সেবিষয়ে কিছু জানায়নি পর্ষদ তখন। ফলে সেই নিয়ে একটা চিন্তায় ছিলেন শিক্ষক পদপ্রার্থীরা।
এরপর গতকাল একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৯ এপ্রিল টেটের পরীক্ষা হবে। সেই সাথে এও বলা হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ডাউনলোড করা যাবে অ্যাডমিট কার্ড। পর্ষদের নিজস্ব এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তি দেখার পর চাঞ্চল্য ছড়ায় চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে। তবে একই সাথে প্রশ্নও তৈরি হয় তাদের মধ্যে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেছে। মে মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে ভোট। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে টেটের পরীক্ষা। এটা কি আদৌ সম্ভব? ধন্দে পড়ে যান প্রার্থীরা।
এরপরেই গোটা বিষয়টি খোলসা করেন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানান, এরকম কোনো বিজ্ঞপ্তি আদৌ পর্ষদের তরফে জারি করা হয়নি। ওই বিজ্ঞপ্তি যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তা ভুয়ো। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞপ্তির নিচে পর্ষদের সচিব রত্না বাগচির স্বাক্ষর রয়েছে। এইভাবে সমস্ত কিছু নকল করে ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া শুধুমাত্র অন্যায় নয়, বিপজ্জনকও। এবিষয়ে পর্ষদ সভাপতি প্রশাসনকে কঠোর হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন আজ। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের মশকরা করার সাহস না পায় কেউ সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন পর্ষদ সভাপতি।
গত ২০১৭ সালে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পর্ষদ যেখানে বলা হয় টেট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আবেদন জমা করেন চাকরি প্রার্থীরা। কয়েক লক্ষ আবেদন জমা পড়ে। তবে কবে ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে সেবিষয়ে কিছু জানায়নি পর্ষদ তখন। ফলে সেই নিয়ে একটা চিন্তায় ছিলেন শিক্ষক পদপ্রার্থীরা।
এরপর গতকাল একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৯ এপ্রিল টেটের পরীক্ষা হবে। সেই সাথে এও বলা হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ডাউনলোড করা যাবে অ্যাডমিট কার্ড। পর্ষদের নিজস্ব এবং নির্দিষ্ট ফরম্যাটে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তি দেখার পর চাঞ্চল্য ছড়ায় চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে। তবে একই সাথে প্রশ্নও তৈরি হয় তাদের মধ্যে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেছে। মে মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে ভোট। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্বাচনের ঠিক এক দিন আগে টেটের পরীক্ষা। এটা কি আদৌ সম্ভব? ধন্দে পড়ে যান প্রার্থীরা।
এরপরেই গোটা বিষয়টি খোলসা করেন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানান, এরকম কোনো বিজ্ঞপ্তি আদৌ পর্ষদের তরফে জারি করা হয়নি। ওই বিজ্ঞপ্তি যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে তা ভুয়ো। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে বিজ্ঞপ্তির নিচে পর্ষদের সচিব রত্না বাগচির স্বাক্ষর রয়েছে। এইভাবে সমস্ত কিছু নকল করে ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া শুধুমাত্র অন্যায় নয়, বিপজ্জনকও। এবিষয়ে পর্ষদ সভাপতি প্রশাসনকে কঠোর হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন আজ। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের মশকরা করার সাহস না পায় কেউ সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন পর্ষদ সভাপতি।
No comments