"সাব-ডিভিশনের অফিস তো এখন তৃণমূলের কার্যালয়!" মনোনয়ন পত্র পুড়িয়ে ভোট বয়কট বামেদের।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ। নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্য জুড়ে চলছে শাসক সন্ত্রাস। বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল বাহিনী। অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই 'শাসক সন্ত্রাসের' চিত্র আবার প্রকাশ্যে এলো বীরভূমের রামপুরহাটে। সেখানে দেখা গেছে, মুখে কাপড় বেধে হাতে বাঁশ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে শাসক দলের ঠ্যাঙারে বাহিনী। বিরোধী নেতা-নেত্রীরা মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলেই বাঁশ নিয়ে তাড়া করছে তারা। প্রতিবাদে ভোট বয়কট করলো বামেরা।

সিপিআইএম-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২ তারিখ থেকে লাগাতার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। অথচ 'গণতান্ত্রিক' রাজ্যে এতো চেষ্টা করেও জমা দেওয়া গেল না মনোনয়ন পত্র। আজও ব্যর্থ হন তারা। এর প্রতিবাদ স্বরূপ মনোনয়ন পত্র পুড়িয়ে ভোট বয়কট করলো বামেরা। সেই সাথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গণ-কমিটি গঠনের ডাক দিয়েছে সিপিআইএম।


শাসক দলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ বিজেপির। নেতারা জানিয়েছেন, মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গিয়ে বারবার ফিরে এসেছেন তারা। ওই নেতা বলেন, "সাব-ডিভিশনের যে অফিস তা আর অফিস নেই। ওটা তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে, যা খুবই দুঃখজনক। গণতন্ত্র ধর্ষিত পশ্চিমবঙ্গে। এটা শুধু রাজ্যের নয়, গোটা দেশের কাছে চরম লজ্জার।"
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই 'শাসক সন্ত্রাসের' চিত্র আবার প্রকাশ্যে এলো বীরভূমের রামপুরহাটে। সেখানে দেখা গেছে, মুখে কাপড় বেধে হাতে বাঁশ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে শাসক দলের ঠ্যাঙারে বাহিনী। বিরোধী নেতা-নেত্রীরা মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলেই বাঁশ নিয়ে তাড়া করছে তারা। প্রতিবাদে ভোট বয়কট করলো বামেরা।
সিপিআইএম-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২ তারিখ থেকে লাগাতার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। অথচ 'গণতান্ত্রিক' রাজ্যে এতো চেষ্টা করেও জমা দেওয়া গেল না মনোনয়ন পত্র। আজও ব্যর্থ হন তারা। এর প্রতিবাদ স্বরূপ মনোনয়ন পত্র পুড়িয়ে ভোট বয়কট করলো বামেরা। সেই সাথে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গণ-কমিটি গঠনের ডাক দিয়েছে সিপিআইএম।
শাসক দলের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ বিজেপির। নেতারা জানিয়েছেন, মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গিয়ে বারবার ফিরে এসেছেন তারা। ওই নেতা বলেন, "সাব-ডিভিশনের যে অফিস তা আর অফিস নেই। ওটা তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে, যা খুবই দুঃখজনক। গণতন্ত্র ধর্ষিত পশ্চিমবঙ্গে। এটা শুধু রাজ্যের নয়, গোটা দেশের কাছে চরম লজ্জার।"
No comments