এবার ভাষাগত মেরুকরণে নামলো কেন্দ্রের বিজেপি সরকার! দেশবাসীর আবেগকে অপমান!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ হিন্দুত্ববাদের ধ্বজা উড়িয়ে দেশপ্রেমের নতুন নতুন সংজ্ঞা তৈরির অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অথচ ধর্মনিরপেক্ষ বহু ভাষার মানুষের বাসভূমি হিসেবে পরিচিত ভারতবর্ষ। সেখানে কোনো একটি বিশেষ জাতি কিংবা বিশেষ ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে সেই ধর্ম এবং ভাষাভাষী মানুষকে গুরুত্ব দেওয়ার ঘটনার বিরোধিতা করে এসেছেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরা। এই বিষয় নিয়ে রাজ্যসভাতে ফের সরব হলেন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভারতে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা হিন্দি নয়। অথচ হিন্দি ভাষাকেই দেশের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই বিষয়ে সংসদে বিদেশমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত। তবে তাঁর প্রশ্নের সন্তোষ জনক উত্তর দিতে পারেননি সুষমা স্বরাজ, দাবি ঋতব্রতর।


এরপরেই কেন্দ্রের এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সুর চড়ান সাংসদ। তিনি বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার এমন আচরণ করছে যেন মনে হচ্ছে দেশের একটিই ভাষা রয়েছে। সেটি হিন্দি। বলাই বাহুল্য, দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ হিন্দি ভাষী নন। তাহলে শুধুমাত্র একটি ভাষাকে অফিশিয়াল ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা কেন চালানো হচ্ছে?" প্রত্যেক নাগরিকের কাছে তার মাতৃভাষা এক আবেগ । সেই আবেগকে কেন হনন করছে কেন্দ্রীয় সরকার? প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক বিজয়া ব্যাঙ্কের একটি বিজ্ঞাপনেও দেখা যায়, "হিন্দি মে কাম কিজিয়ে, দেশভক্তিকা পরিচয় দিজিয়ে"। এইভাবে নির্দিষ্ট একটি ভাষাকে দেশের প্রধান ভাষা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা দেশবাসীর আবেগকে আপমান করার চেষ্টার সামিল, মত সাংসদ ঋতব্রতর।
ভারতে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা হিন্দি নয়। অথচ হিন্দি ভাষাকেই দেশের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই বিষয়ে সংসদে বিদেশমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত। তবে তাঁর প্রশ্নের সন্তোষ জনক উত্তর দিতে পারেননি সুষমা স্বরাজ, দাবি ঋতব্রতর।
এরপরেই কেন্দ্রের এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সুর চড়ান সাংসদ। তিনি বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার এমন আচরণ করছে যেন মনে হচ্ছে দেশের একটিই ভাষা রয়েছে। সেটি হিন্দি। বলাই বাহুল্য, দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ হিন্দি ভাষী নন। তাহলে শুধুমাত্র একটি ভাষাকে অফিশিয়াল ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা কেন চালানো হচ্ছে?" প্রত্যেক নাগরিকের কাছে তার মাতৃভাষা এক আবেগ । সেই আবেগকে কেন হনন করছে কেন্দ্রীয় সরকার? প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক বিজয়া ব্যাঙ্কের একটি বিজ্ঞাপনেও দেখা যায়, "হিন্দি মে কাম কিজিয়ে, দেশভক্তিকা পরিচয় দিজিয়ে"। এইভাবে নির্দিষ্ট একটি ভাষাকে দেশের প্রধান ভাষা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা দেশবাসীর আবেগকে আপমান করার চেষ্টার সামিল, মত সাংসদ ঋতব্রতর।
No comments