সম কাজে সম বেতন দিতে হবে এই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। তবু কেন বঞ্চিত শিক্ষকরা?
নজরবন্দি ব্যুরো: উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ % নম্বর এবং দু-বছরের ডিএলএড কোর্স , এনসিআরটির নিয়ম অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষক হতে এই দুটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক। পশ্চিমবঙ্গেও এই নিয়ম বলবত আছে শেষ কয়েক বছর ধরে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা সবাই উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ। প্রশিক্ষণও আছে অনেকের । যাদের এই প্রশিক্ষণ নেই তাঁরা ২০১৯ সালের মধ্যেই এনআইওএস ডিএলএড মারফত প্রশিক্ষিত হতে হবে। কিন্তু এই রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা বেতন পায় এখনও মাধ্যমিক স্কেলে। যদি পে স্কেল হয় তা হলে পাবে ৫৪০০ থকে ২৫২০০ টাকা। আর গ্রেড পে ট্রেন্ডদের জন্য দাঁড়াবে ২৬০০ টাকা,আনট্রেন্ড ২৩০০ টাকা।
কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের পে স্কেল হবে ৯৩০০ —৩৪৮০০ টাকা। আর গ্রেড পে ৪২০০ টাকা। কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী এই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ হলে বেতন কেন কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী হবে না?
অন্যান্য ক্ষেত্রে দেদার দানখয়রাত করলেও ডিএ,পে-কমিশনের বেলায় টাকা নেই বলে বাজারের খবর ভাসিয়ে দেয় বর্তমান রাজ্য সরকার। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক সহ ডিএলএড যোগ্যতায় নিয়োগ করলেও বেতন মাধ্যমিক মানের ধরে রাখা যে কোনও যুক্তিতেই উচিত নয়। যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন প্রদান করা উচিত তৃণমূল সরকারের।
তাই এই সমস্ত বঞ্চিত শিক্ষকরা অধিকার আদায়ের জন্যে একত্রিত হতে শুরু করেছে। আর সেই সংগঠনে সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা থাকার সম্ভাবনা এমনকি তৃণমূলের প্রতিনিধিও থাকতে পারেন বলে খবর। তাঁদের দাবি তাদের প্রাপ্য অধিকার তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে। আর তা না হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁরাও সরকারকে বুঝিয়ে দেবেন।
এই বিষয় নিয়ে এক প্রাথমিক শিক্ষক আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, এক দেশ এক কর । সম কাজে সম বেতন দিতে হবে এই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। কিন্তু বাস্তবে কি সেটা পালন হচ্ছে এই রাজ্যে?
পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা সবাই উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ। প্রশিক্ষণও আছে অনেকের । যাদের এই প্রশিক্ষণ নেই তাঁরা ২০১৯ সালের মধ্যেই এনআইওএস ডিএলএড মারফত প্রশিক্ষিত হতে হবে। কিন্তু এই রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা বেতন পায় এখনও মাধ্যমিক স্কেলে। যদি পে স্কেল হয় তা হলে পাবে ৫৪০০ থকে ২৫২০০ টাকা। আর গ্রেড পে ট্রেন্ডদের জন্য দাঁড়াবে ২৬০০ টাকা,আনট্রেন্ড ২৩০০ টাকা।
কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের পে স্কেল হবে ৯৩০০ —৩৪৮০০ টাকা। আর গ্রেড পে ৪২০০ টাকা। কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী এই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ হলে বেতন কেন কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী হবে না?
অন্যান্য ক্ষেত্রে দেদার দানখয়রাত করলেও ডিএ,পে-কমিশনের বেলায় টাকা নেই বলে বাজারের খবর ভাসিয়ে দেয় বর্তমান রাজ্য সরকার। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক সহ ডিএলএড যোগ্যতায় নিয়োগ করলেও বেতন মাধ্যমিক মানের ধরে রাখা যে কোনও যুক্তিতেই উচিত নয়। যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন প্রদান করা উচিত তৃণমূল সরকারের।
তাই এই সমস্ত বঞ্চিত শিক্ষকরা অধিকার আদায়ের জন্যে একত্রিত হতে শুরু করেছে। আর সেই সংগঠনে সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা থাকার সম্ভাবনা এমনকি তৃণমূলের প্রতিনিধিও থাকতে পারেন বলে খবর। তাঁদের দাবি তাদের প্রাপ্য অধিকার তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে। আর তা না হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁরাও সরকারকে বুঝিয়ে দেবেন।
এই বিষয় নিয়ে এক প্রাথমিক শিক্ষক আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, এক দেশ এক কর । সম কাজে সম বেতন দিতে হবে এই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। কিন্তু বাস্তবে কি সেটা পালন হচ্ছে এই রাজ্যে?
No comments