Header Ads

জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে তৃণমূল গুন্ডারা ছুরি মারলো বিরোধী নেতাকে। এরাজ্যে প্রশাসন জীবিত?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্য যেন এক রণক্ষেত্র। বিরোধীদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেবে না শাসক দল, এ যেন এক অঘোষিত পন তৃণমূল কংগ্রেসের। লাঠি, রড, এমনকি তরোয়াল, দা হাতে নিয়ে ময়দানে ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে তৃণমূল।
গতকালের পর আজও আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে বীরভূম জেলাজুড়ে প্রতিটি ব্লক কার্য্যালয়-ই অবরুদ্ধ থাকল তৃণমূলের ‘সুসজ্জিত’ বাহিনী দ্বারা। মনোনয়ন দাখিলের প্রাথমিক কাজ করতে গিয়ে শাসক দলের হাতে বেধড়ক মার খেতে হয়েছে বিজেপি এবং সিপিআই(এম) সহ বিভিন্ন বিরোধী দলের প্রার্থীদের।

সন্ত্রাস সৃষ্টিতে সবার ওপরে গেল বীরভূমের সদর শহর সিউড়িতে থাকা জেলাশাসকের দপ্তর। জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে এবং পুলিস সুপারের অফিস থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে মঙ্গলবার দুপরে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীর ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন বিজেপি-র বীরভূম জেলা সম্পাদক কালোসোনা মন্ডল। কর্মব্যস্ত অফিস পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে তৃণমূলীদের এমন ছুরি নিয়ে হামলায় স্তম্ভিত সকলেই। প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে রাজ্যের প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও।

এদিন সকাল থেকেই জেলার সমস্ত ব্লক অফিস এবং রামপুরহাট ও বোলপুর মহকুমা অফিস ঘিরে ফেলে তৃণমূল বাহিনী। এদিনের নতুন সংযোজন, সিউড়ির জেলাশাসকের দপ্তর। খোদ জেলাশাসকের দপ্তরেও ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তৃণমূলীরা। বিজে পি-র জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় ও জেলা সম্পাদক কালোসোনা মন্ডল জেলাশাসকের দপ্তর থেকে বেরিয়ে আসার পরেই তাঁকে পেছন থেকে ছুরি মারা হয়। তাঁকে সেখান থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে রাজ্য জুড়ে। জেলাশাসকের দপ্তরের সামনের হাল যদি এমন হয় তাহলে গ্রামগঞ্জে সাধারন মানুষর কি হাল হবে ? প্রশ্ন তোলেন রাজ্যবাসী।







No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.