হাই ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা পারলে কেন প্যারাটিচাররা পারবেন না ? ক্ষোভ শিক্ষকদের মধ্যে।
নজরবন্দি ব্যুরো: এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে পার্শ্বশিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবে না। শুধু তাই নয়।
এর পাশাপাশি প্যারাটিচার, শিক্ষা-বন্ধু সহ গ্রাম রোজগার সেবক, ভিলেজ লেবেল ইন্টারপ্রেনার(ভিএলই), স্কিল্ড টেকনিক্যাল পার্সন(এসটিপি), এএনএম-১ ও ২, ইউথ ভলান্টিয়ার পদের কর্মীরা এবারের ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। ইতিমধ্যে প্রতিটা জেলায় এই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে।
সূত্রের খবর, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকরা প্রার্থী হতে পেরেছিলেন। তবে এবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্যারাটিচার, শিক্ষা-বন্ধুদের প্রার্থী হতে পারবে না বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
আর যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে । তবে হাই স্কুল ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
যখন হাই ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারেন তখন কেন প্যারাটিচাররা প্রার্থী হতে পারবেন না! এই নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে শিক্ষকদের একটা বড় অংশের মধ্যে।
এর পাশাপাশি প্যারাটিচার, শিক্ষা-বন্ধু সহ গ্রাম রোজগার সেবক, ভিলেজ লেবেল ইন্টারপ্রেনার(ভিএলই), স্কিল্ড টেকনিক্যাল পার্সন(এসটিপি), এএনএম-১ ও ২, ইউথ ভলান্টিয়ার পদের কর্মীরা এবারের ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। ইতিমধ্যে প্রতিটা জেলায় এই নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে।
সূত্রের খবর, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকরা প্রার্থী হতে পেরেছিলেন। তবে এবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্যারাটিচার, শিক্ষা-বন্ধুদের প্রার্থী হতে পারবে না বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
আর যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে । তবে হাই স্কুল ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন।
যখন হাই ও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারেন তখন কেন প্যারাটিচাররা প্রার্থী হতে পারবেন না! এই নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে শিক্ষকদের একটা বড় অংশের মধ্যে।
No comments