আবার বঞ্চনার শিকার শিক্ষকরা! একই রাজ্যে কেন এই অসাম্য?
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের শিক্ষক পদে চাকরি প্রার্থীরা এবং কর্মরত শিক্ষকরা একাধিক সমস্যায় জর্জরিত। কেউ চাকরির পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি পাচ্ছেন না। আবার কেউ শিক্ষক পদে কর্মরত হয়েও শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন অসাম্য-র।
এরকমই সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বর্ধমান জেলার অসংখ্য শিক্ষক। ২০০১ সালের ৩ নভেম্বরের আগে শিক্ষক পদে কর্মরত তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়ে কোনো সুবিধাই পাননি, অভিযোগ ওই সমস্ত শিক্ষকদের। তাদের দাবি, অন্যান্য জেলার শিক্ষকরা ট্রেনিং বেনিফিট পেলেও বঞ্চিত থেকে গেছেন তারা।
এই বিষয়ে তারা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলেও রাজ্য দপ্তরের নির্দিষ্ট অর্ডার ছাড়া কোনো সাহায্য করতে নারাজ।
এরপর ২০১৪ সালে আদালতে মামলাও করেন।কিন্তু সেই মামলারও কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ শিক্ষকদের। এই অবস্থায় চূড়ান্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শতাধিক শিক্ষক। কিন্তু একই রাজ্যের কেন এইরকম অসমতার শিকার হতে হবে তাদের?
কেন অন্য জেলার শিক্ষকরা সুবিধা পেলেও ভিন্ন নিয়মের গেরোয় আটকে বঞ্চনার শিকার হতে হবে তাদের? রাজ্যের সরকারে দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন ওই শিক্ষকরা।
এরকমই সমস্যার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বর্ধমান জেলার অসংখ্য শিক্ষক। ২০০১ সালের ৩ নভেম্বরের আগে শিক্ষক পদে কর্মরত তারা। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়ে কোনো সুবিধাই পাননি, অভিযোগ ওই সমস্ত শিক্ষকদের। তাদের দাবি, অন্যান্য জেলার শিক্ষকরা ট্রেনিং বেনিফিট পেলেও বঞ্চিত থেকে গেছেন তারা।
এই বিষয়ে তারা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলেও রাজ্য দপ্তরের নির্দিষ্ট অর্ডার ছাড়া কোনো সাহায্য করতে নারাজ।
এরপর ২০১৪ সালে আদালতে মামলাও করেন।কিন্তু সেই মামলারও কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ শিক্ষকদের। এই অবস্থায় চূড়ান্ত অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শতাধিক শিক্ষক। কিন্তু একই রাজ্যের কেন এইরকম অসমতার শিকার হতে হবে তাদের?
কেন অন্য জেলার শিক্ষকরা সুবিধা পেলেও ভিন্ন নিয়মের গেরোয় আটকে বঞ্চনার শিকার হতে হবে তাদের? রাজ্যের সরকারে দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন ওই শিক্ষকরা।
No comments