ত্রিপুরায় বামেদের উৎখাত করতে গিয়ে নিজেদেরই অস্তিত্ব সঙ্কটে বিজেপির! বিশেষ প্রতিবেদন
নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন পরেই নির্বাচন হতে চলেছে ত্রিপুরায়। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর বিজেপি নাকি গোপন রিপোর্ট পেয়েছে বাম সরকারের পতন হয়ে গেরুয়া ধ্বজা উড়বে ত্রিপুরায়। মোট কথা কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি তাই? দল ভাঙানোর খেলা চলেছে বামেদের সঙ্ঘতি ভাঙার চেষ্টা চলেছে।
কিন্তু কিছুতেই কোনো লাভ হয়নি, উলটে নিজের ঘর সাম্লাতেই হিমশিম অবস্থা বিজেপির। আস্তাবল মাঠের জনসভায় বেশ ভালো জমায়েত করে বিজেপি আওয়াজ তুলেছিল বাম হটাও। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের একাধিক দুর্নিতীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল তারা। কিন্তু ত্রিপুরা সূত্রে খবর "মানিক সরকারের দূর্নিতী" এই ইস্যু ত্রিপুরাবাসী ঠিক হজম করতে পারেনি। কারন মানিক সরকারের মত স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এদেশে বিরল। নিজেদের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বেশ গর্বিত ত্রিপুরার জনগন।
তাছাড়া কিছুদিন আগে ওই আস্তাবল মাঠে কানায় কানায় পূর্ন জন সমাবেশে মানিক নিজেই নিজের সরকারের খতিয়ান তুলে ধরে বলেছিলেন কি কি পেরেছেন আর কি কি পারেন নি। এই অকপট স্বীকারোক্তি মানিক সরকারের দল কে আরও গ্রহন যোগ্য করে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে। কাজেই পরিবর্তনের শ্লোগানে দূর্নীতি ইস্যু তেমন ভাবে কাজ করেনি, সেক্ষেত্রে বিজেপির ভরসা ছিল দল ভাঙানো। কিন্তু দল ভাঙাতে গিয়ে নিজের দলের ভাঙন ধরেছে বিজেপির। বামেরা প্রার্থী ঘোষণা করেছিল সবার আগে। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থীই দিতে পারেনি অন্তত ৫০% আসনে। বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৬০ টি আসনের মধ্যে ৫১ টিতে বাকি ৯টি আসনে তাদের জোট সঙ্গী আইপিএফটি। কিন্তু তাঁর পরেই শুরু হয়েছে গণ্ডগোল।
প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়েছে, কেউ চাইছেন প্রার্থী পদ ছাড়তে কেউ প্রার্থী না হতে পারায় ছাড়ছেন বিজেপি দল। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় প্রার্থী করা হয়নি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রণজয়কুমার দেবকে। সেই দুঃখে তিনি ছাড়তে চলেছেন দল! ত্রিপুরার বিজেপি সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব কে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন "আমাকে ৫৫ বাগবাসা থেকে প্রার্থী করা হয়নি। সেই কারণে আমি দল থেকে পদত্যাগ করছি"। সুতরাং আর মাত্র কয়েকদিন পর ভোট তাঁর আগে যদি নিজের ঘর ভাঙতে শুরু করে তাহলে বিজেপি বামেদের ঘর ভাঙবে কিভাবে? চরম অস্বস্তিতে দল।
কিন্তু কিছুতেই কোনো লাভ হয়নি, উলটে নিজের ঘর সাম্লাতেই হিমশিম অবস্থা বিজেপির। আস্তাবল মাঠের জনসভায় বেশ ভালো জমায়েত করে বিজেপি আওয়াজ তুলেছিল বাম হটাও। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের একাধিক দুর্নিতীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল তারা। কিন্তু ত্রিপুরা সূত্রে খবর "মানিক সরকারের দূর্নিতী" এই ইস্যু ত্রিপুরাবাসী ঠিক হজম করতে পারেনি। কারন মানিক সরকারের মত স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এদেশে বিরল। নিজেদের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বেশ গর্বিত ত্রিপুরার জনগন।
তাছাড়া কিছুদিন আগে ওই আস্তাবল মাঠে কানায় কানায় পূর্ন জন সমাবেশে মানিক নিজেই নিজের সরকারের খতিয়ান তুলে ধরে বলেছিলেন কি কি পেরেছেন আর কি কি পারেন নি। এই অকপট স্বীকারোক্তি মানিক সরকারের দল কে আরও গ্রহন যোগ্য করে তুলেছে সাধারণ মানুষের কাছে। কাজেই পরিবর্তনের শ্লোগানে দূর্নীতি ইস্যু তেমন ভাবে কাজ করেনি, সেক্ষেত্রে বিজেপির ভরসা ছিল দল ভাঙানো। কিন্তু দল ভাঙাতে গিয়ে নিজের দলের ভাঙন ধরেছে বিজেপির। বামেরা প্রার্থী ঘোষণা করেছিল সবার আগে। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থীই দিতে পারেনি অন্তত ৫০% আসনে। বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে ৬০ টি আসনের মধ্যে ৫১ টিতে বাকি ৯টি আসনে তাদের জোট সঙ্গী আইপিএফটি। কিন্তু তাঁর পরেই শুরু হয়েছে গণ্ডগোল।
প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই বিজেপি ছাড়ার হিড়িক পড়েছে, কেউ চাইছেন প্রার্থী পদ ছাড়তে কেউ প্রার্থী না হতে পারায় ছাড়ছেন বিজেপি দল। উদাহরন স্বরূপ বলা যায় প্রার্থী করা হয়নি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রণজয়কুমার দেবকে। সেই দুঃখে তিনি ছাড়তে চলেছেন দল! ত্রিপুরার বিজেপি সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব কে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন "আমাকে ৫৫ বাগবাসা থেকে প্রার্থী করা হয়নি। সেই কারণে আমি দল থেকে পদত্যাগ করছি"। সুতরাং আর মাত্র কয়েকদিন পর ভোট তাঁর আগে যদি নিজের ঘর ভাঙতে শুরু করে তাহলে বিজেপি বামেদের ঘর ভাঙবে কিভাবে? চরম অস্বস্তিতে দল।
No comments