সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেও সদ্যজাত-র মুখ দেখার জন্য দিতে হচ্ছে টাকা !
রায়গঞ্জ,নজরবন্দি: হাসপাতালে সন্তান জন্মানোর সঙ্গে সঙ্গে হাজার টাকা দাবি আয়াদের। টাকা না দিলে দেখতে দেওয়া হয় না সদ্যজাতকেও।
এমনই অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ধরা হল এক আয়া মাসিকে। আজ ঘটনাটি ঘটে উত্তর দিনাজপুুর জেলার রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে। রুবি বিবি নামে ধৃত ওই আয়াকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে। প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চল থেকে আশাকর্মীরা প্রসূতিদের সন্তান প্রসবের জন্য রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠিয়ে থাকে। কিন্তু প্রসূতিদের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে থাকা আয়ামাসী নামের তোলাবাজেরা সন্তান জন্মাবার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার টাকা নেয়। টাকা না পেলে সদ্যোজাত সন্তানকে দেখতে পর্যন্ত দেয় না এইসব অবৈধ আয়ামাসীরা।
গ্রামের আশাকর্মীদের এই অভিযোগ নিয়ে দু’সপ্তাহ আগেই জেলাশাসক বৈঠক করেছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট শুভেন্দু রায় কে নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলাশাসক আয়েষা রানী । এদিন রায়গঞ্জ থানার রুদ্রখন্ড গ্রামের প্রসূতি রাজেনা খাতুন পুত্র সন্তানের জন্ম দিলে তার শাশুড়ি আয়েষা খাতুনের কাছে ১ হাজার টাকা চায় রুবি খাতুন নামে কর্মরত আয়া। আয়েষা খাতুন সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রখন্ডে কর্মরত আশাকর্মীকে বিষয়টি জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে অভিযান চালায় জেলার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট শুভেন্দু রায়ের নেতৃত্বে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। সাদা পোশাকে পুলিশ প্রসূতির আত্মীয় সেজে গেলে আয়ামাসী রুবি খাতুন তাদের কাছেই টাকা চেয়ে বসে। চিত্রনাট্য সাজিয়ে সাদা পোশাকের পুলিশ টাকা দিতে যায়, তা নিতে গেলেই হাতেনাতে ধরে ফেলা হয় রুবি খাতুনকে।
এমনই অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার এক ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে হাতে নাতে ধরা হল এক আয়া মাসিকে। আজ ঘটনাটি ঘটে উত্তর দিনাজপুুর জেলার রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে। রুবি বিবি নামে ধৃত ওই আয়াকে গ্রেপ্তার করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্বরে। প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চল থেকে আশাকর্মীরা প্রসূতিদের সন্তান প্রসবের জন্য রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠিয়ে থাকে। কিন্তু প্রসূতিদের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে থাকা আয়ামাসী নামের তোলাবাজেরা সন্তান জন্মাবার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার টাকা নেয়। টাকা না পেলে সদ্যোজাত সন্তানকে দেখতে পর্যন্ত দেয় না এইসব অবৈধ আয়ামাসীরা।
গ্রামের আশাকর্মীদের এই অভিযোগ নিয়ে দু’সপ্তাহ আগেই জেলাশাসক বৈঠক করেছিলেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট শুভেন্দু রায় কে নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলাশাসক আয়েষা রানী । এদিন রায়গঞ্জ থানার রুদ্রখন্ড গ্রামের প্রসূতি রাজেনা খাতুন পুত্র সন্তানের জন্ম দিলে তার শাশুড়ি আয়েষা খাতুনের কাছে ১ হাজার টাকা চায় রুবি খাতুন নামে কর্মরত আয়া। আয়েষা খাতুন সঙ্গে সঙ্গে রুদ্রখন্ডে কর্মরত আশাকর্মীকে বিষয়টি জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে অভিযান চালায় জেলার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট শুভেন্দু রায়ের নেতৃত্বে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। সাদা পোশাকে পুলিশ প্রসূতির আত্মীয় সেজে গেলে আয়ামাসী রুবি খাতুন তাদের কাছেই টাকা চেয়ে বসে। চিত্রনাট্য সাজিয়ে সাদা পোশাকের পুলিশ টাকা দিতে যায়, তা নিতে গেলেই হাতেনাতে ধরে ফেলা হয় রুবি খাতুনকে।