বৃথাই স্বপ্ন দেখা! নন-ট্রেনড শিক্ষক প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চিত! বলছে সমীক্ষা।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের খতিয়ান যদি দেখা যায় তাহলে সেখানে চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ ছাড়া আর কিছুই চোখে পড়বে না। ডিগ্রি রয়েছে, শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছেন, কিন্তু পাননি নিয়োগ- এরকম প্রার্থীর সংখ্যা এরাজ্যে অগুনতি। বছরের পর বছর অপেক্ষা করেও চাকরি মেলেনি। বেকার তকমা মাথায় নিয়ে অসম্মানের জীবন কাটাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের অসংখ্য শিক্ষক পদপ্রার্থী।
অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা চাকরি প্রার্থীদের মনে জমেছে একাধিক প্রশ্ন। তৈরি হয়েছে অসংখ্য বিভ্রান্তিও। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, প্রশিক্ষণ নেই এমন শিক্ষক পদপ্রার্থীদের কি চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? এক্ষেত্রে বলা যায়, শিক্ষক পদে চাকরি পেতে গেলে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ থাকা বাধ্যতামূলক, এমন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র। ফলে স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে যে অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা কি সুযোগ পাবেন? প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগ করার পর প্রশিক্ষণ-হীনদের নিয়োগ করবে সরকার।
এবার আসা যাক বাস্তবের মাটিতে। দিনের পর দিন নিয়োগ না হওয়ায় এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চাকরি প্রার্থীদের সংখ্যা অসংখ্য। বলাই বাহুল্য, শূন্যপদের তুলনায় সেই সংখ্যাটা কম নয়, বরং বেশি। তাই রাজ্য সরকারের যে যুক্তি, প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের সুযোগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ হীনদের নিয়োগ করা হবে, তা শুধুমাত্র মিথ্যে স্বপ্ন দেখানো- একথা বললে বাড়িয়ে বলা হবে না একেবারেই। কারণ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের নিয়োগ করার পর আদৌ কোনো শূন্যপদ থাকবে না, বলছে তথ্য-পরিসংখ্যান। তাই নন-ট্রেনড শিক্ষক পদপ্রার্থীদের জন্য আগামি ভবিষ্যৎ যে খুব একটা মসৃণ নয় সেকথা বলাই যায়।
অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা চাকরি প্রার্থীদের মনে জমেছে একাধিক প্রশ্ন। তৈরি হয়েছে অসংখ্য বিভ্রান্তিও। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, প্রশিক্ষণ নেই এমন শিক্ষক পদপ্রার্থীদের কি চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? এক্ষেত্রে বলা যায়, শিক্ষক পদে চাকরি পেতে গেলে যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ থাকা বাধ্যতামূলক, এমন নিয়ম চালু করেছে কেন্দ্র। ফলে স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে যে অপ্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা কি সুযোগ পাবেন? প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগ করার পর প্রশিক্ষণ-হীনদের নিয়োগ করবে সরকার।
এবার আসা যাক বাস্তবের মাটিতে। দিনের পর দিন নিয়োগ না হওয়ায় এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চাকরি প্রার্থীদের সংখ্যা অসংখ্য। বলাই বাহুল্য, শূন্যপদের তুলনায় সেই সংখ্যাটা কম নয়, বরং বেশি। তাই রাজ্য সরকারের যে যুক্তি, প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের সুযোগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ হীনদের নিয়োগ করা হবে, তা শুধুমাত্র মিথ্যে স্বপ্ন দেখানো- একথা বললে বাড়িয়ে বলা হবে না একেবারেই। কারণ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের নিয়োগ করার পর আদৌ কোনো শূন্যপদ থাকবে না, বলছে তথ্য-পরিসংখ্যান। তাই নন-ট্রেনড শিক্ষক পদপ্রার্থীদের জন্য আগামি ভবিষ্যৎ যে খুব একটা মসৃণ নয় সেকথা বলাই যায়।
No comments