অবশেষে সিবিআই তদন্ত! বাম-রাজ্যে সুবিচার এতো দুর্লভ? উঠছে প্রশ্ন।
সুদীপ বল, নজরবন্দি : লক্ষ ঠিক থাকলে সাফল্য একদিন আসবেই। সেকথা আরও একবার প্রমাণ করলেন তিরুবনন্তপুরমের সাহসি ছেলে সৃজিত। তার কথা আজ কর্নাটকের মানুষের প্রায় মুখে মুখে। কে এই সৃজিত? কি কারণেই বা সে সবার নজর কাড়লো?
সৃজতের খ্যাত হবার গল্প জানতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে ২০১৪ সালে,ক্ষমতায় তখন কংগ্রেস সরকার। সেই বছরের ১৯ মে মোবাইল চুরির দায়ে তার ভাই সৃজিবকে তুলে নিয়ে যায় কেরলের প্রসোল্লা থানার পুলিশ। পরের দিন সৃজিবকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ১ দিন পরই মারা যান সৃজিব। পুলিশের তরফে তত্ত্ব খাড়া করা হয়, চুরির দায়ে ধরা পড়ায় লজ্জায় আত্মঘাতী হয়েছে সৃজিতের ভাই। কিন্তু সেই কথা মানতে নারাজ সৃজিত। তিনি জানিয়েছেন, তার ভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল এলাকারই এক পুলিশ অফিসারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার।
সেই কারণেই তার ভাইকে থানায় নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করে খুন করেছে পুলিশ। বারবার প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষা তদন্ত চেয়েও বিফল হয়েছেন তিনি। অবশেষে সত্য জানতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসেন। দাবি, নিরপেক্ষ সিবিআই তদন্ত চাই। প্রথমে একাই লড়াই চালিয়ে গেলেও পরে বিষয়টি নজরে পরে কিছু ছাত্রছাত্রীর। তারাই গোটা ঘটনাটিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিলে প্রচুর মানুষ পাশে এসে দাঁড়ায় সৃজিতের। তার একার লড়াই পৌঁছে যায় অসংখ্য মানুষের কাছে। অভিনেতা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রত্যেকেই সামিল হন তার এই লড়াইয়ে।
চাপ বাড়তে থাকে সরকারের ওপর। গত ১৫ জানুয়ারি কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন তাকে ডেকে নিয়ে সিবিআই তদন্তের আশ্বাস দেন। কিন্তু সৃজিত জানান, যতক্ষণ না সিবিআই তার দাবি মেনে নিয়ে তদন্তভার নেওয়ার কথা স্বীকার করবে ততক্ষন ধর্নামঞ্চ ছেড়ে নড়বেন না তিনি। অবশেষে গতকাল সিবিআই কর্তারা তাকে এবং তার মা রমানী দেবীকে অফিসে ডেকে বয়ান নথিভুক্ত করলে ৭৮২ দিনের ধর্নায় ইস্তফা দেন তিনি। তবে তিনি জানিয়ে রেখেছেন, দোষীরা শাস্তি না পেলে আবার তিনি ধর্নায় বসবেন।
আদালতের দ্বারস্থ না হয়েও সত্যের পথে থেকে শুধুমাত্র মনের জোরে যে প্রশাসনকে টলিয়ে দেওয়া যায় সেকথা প্রমাণ করলেন সৃজিত। প্রসঙ্গত, কেরালা বাম শাসিত রাজ্য। সেই রাজ্যে এই ধরণের অন্যায় যদি সত্যিই কোনো নিরীহ নির্দোষ যুবকের ওপর হয়ে থাকে তবে কেন চুপ করে ছিল সরকার? কথাতেই তো আছে, "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।" সত্য ঘটনা জানতে কেন এতদিন ধরে লড়াই চালাতে হল সৃজিতকে? দোষী যে-ই হোক, সে যেন শাস্তি পায়। প্রশাসন কিংবা সরকার, অন্যায় যে করেছে আর সেই অন্যায়কে যে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে প্রত্যেকেই যেন শাস্তি পায়, দাবি সমগ্র দেশবাসীর।
সৃজতের খ্যাত হবার গল্প জানতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে ২০১৪ সালে,ক্ষমতায় তখন কংগ্রেস সরকার। সেই বছরের ১৯ মে মোবাইল চুরির দায়ে তার ভাই সৃজিবকে তুলে নিয়ে যায় কেরলের প্রসোল্লা থানার পুলিশ। পরের দিন সৃজিবকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ১ দিন পরই মারা যান সৃজিব। পুলিশের তরফে তত্ত্ব খাড়া করা হয়, চুরির দায়ে ধরা পড়ায় লজ্জায় আত্মঘাতী হয়েছে সৃজিতের ভাই। কিন্তু সেই কথা মানতে নারাজ সৃজিত। তিনি জানিয়েছেন, তার ভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল এলাকারই এক পুলিশ অফিসারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ার।
সেই কারণেই তার ভাইকে থানায় নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করে খুন করেছে পুলিশ। বারবার প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষা তদন্ত চেয়েও বিফল হয়েছেন তিনি। অবশেষে সত্য জানতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসেন। দাবি, নিরপেক্ষ সিবিআই তদন্ত চাই। প্রথমে একাই লড়াই চালিয়ে গেলেও পরে বিষয়টি নজরে পরে কিছু ছাত্রছাত্রীর। তারাই গোটা ঘটনাটিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিলে প্রচুর মানুষ পাশে এসে দাঁড়ায় সৃজিতের। তার একার লড়াই পৌঁছে যায় অসংখ্য মানুষের কাছে। অভিনেতা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রত্যেকেই সামিল হন তার এই লড়াইয়ে।
চাপ বাড়তে থাকে সরকারের ওপর। গত ১৫ জানুয়ারি কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন তাকে ডেকে নিয়ে সিবিআই তদন্তের আশ্বাস দেন। কিন্তু সৃজিত জানান, যতক্ষণ না সিবিআই তার দাবি মেনে নিয়ে তদন্তভার নেওয়ার কথা স্বীকার করবে ততক্ষন ধর্নামঞ্চ ছেড়ে নড়বেন না তিনি। অবশেষে গতকাল সিবিআই কর্তারা তাকে এবং তার মা রমানী দেবীকে অফিসে ডেকে বয়ান নথিভুক্ত করলে ৭৮২ দিনের ধর্নায় ইস্তফা দেন তিনি। তবে তিনি জানিয়ে রেখেছেন, দোষীরা শাস্তি না পেলে আবার তিনি ধর্নায় বসবেন।
আদালতের দ্বারস্থ না হয়েও সত্যের পথে থেকে শুধুমাত্র মনের জোরে যে প্রশাসনকে টলিয়ে দেওয়া যায় সেকথা প্রমাণ করলেন সৃজিত। প্রসঙ্গত, কেরালা বাম শাসিত রাজ্য। সেই রাজ্যে এই ধরণের অন্যায় যদি সত্যিই কোনো নিরীহ নির্দোষ যুবকের ওপর হয়ে থাকে তবে কেন চুপ করে ছিল সরকার? কথাতেই তো আছে, "অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।" সত্য ঘটনা জানতে কেন এতদিন ধরে লড়াই চালাতে হল সৃজিতকে? দোষী যে-ই হোক, সে যেন শাস্তি পায়। প্রশাসন কিংবা সরকার, অন্যায় যে করেছে আর সেই অন্যায়কে যে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে প্রত্যেকেই যেন শাস্তি পায়, দাবি সমগ্র দেশবাসীর।
No comments