আবার স্বপ্নভঙ্গ হবু শিক্ষকদের! কেন? পড়ুন।
নজরবন্দি ব্যুরো: ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে শিক্ষক নিয়োগের ভুয়ো অর্ডার ছড়িয়ে পড়ায় সমস্যায় পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং বিকাশ ভবন। স্কুলশিক্ষা সচিবের সই করা একটি অর্ডার ঘুরে বেড়াচ্ছে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে-গ্রুপে।
তাতে তারিখ উল্লেখ আছে ৩০ জানুয়ারি। ওই অর্ডারে ডিআইদের মেনশন করে বলা হয়েছে, ২০১২ এবং ২০১৪ সালের টেট-এ যে নিয়োগ বাকি আছে, সব সেরে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০০৯ এবং ২০১২ সালে হওয়া পরীক্ষার যে সব নিয়োগ মামলার কারণে আটকে আছে, সেই মামলা গুলির ব্যবস্থা করতে হবে।
স্কুল সার্ভিসের নিয়োগের কাউন্সেলিং-এর তারিখ ঘোষণা। গ্রুপ -ডি আপডেট
৬ ফেব্রুয়ারি এই প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে। এই অর্ডার যাবে ডিআইদের কাছে ও তার কপি প্রাথমিক পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকেও পাঠানোর কথা লেখা রয়েছে ওই নোটিশে।
আর এই অর্ডার দেখার পর হবু শিক্ষকদের মনে প্রত্যাশার পারদ চড়েছে। কিন্তু এই অর্ডারটি ভুয়ো বলেই জানা গিয়েছে পর্ষদ এবং বিকাশ ভবন সূত্রে। এ ব্যাপারে পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য বলেন, শিক্ষা দপ্তরের এমন কোনও অর্ডারের কথা তাঁর জানা নেই।
তাতে তারিখ উল্লেখ আছে ৩০ জানুয়ারি। ওই অর্ডারে ডিআইদের মেনশন করে বলা হয়েছে, ২০১২ এবং ২০১৪ সালের টেট-এ যে নিয়োগ বাকি আছে, সব সেরে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০০৯ এবং ২০১২ সালে হওয়া পরীক্ষার যে সব নিয়োগ মামলার কারণে আটকে আছে, সেই মামলা গুলির ব্যবস্থা করতে হবে।
স্কুল সার্ভিসের নিয়োগের কাউন্সেলিং-এর তারিখ ঘোষণা। গ্রুপ -ডি আপডেট
৬ ফেব্রুয়ারি এই প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে। এই অর্ডার যাবে ডিআইদের কাছে ও তার কপি প্রাথমিক পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকেও পাঠানোর কথা লেখা রয়েছে ওই নোটিশে।
আর এই অর্ডার দেখার পর হবু শিক্ষকদের মনে প্রত্যাশার পারদ চড়েছে। কিন্তু এই অর্ডারটি ভুয়ো বলেই জানা গিয়েছে পর্ষদ এবং বিকাশ ভবন সূত্রে। এ ব্যাপারে পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য বলেন, শিক্ষা দপ্তরের এমন কোনও অর্ডারের কথা তাঁর জানা নেই।
No comments