পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকাতে এক সবজি বিক্রেতা! সে যেন এক রূপকথার গল্প।
নজরবন্দি ব্যুরো: এ জেনো অদম্য জেদের রূপকথার কাহিনী। গল্পের নায়িকা জোকার হাঁসপুকুরের সুভাষিণী মিস্ত্রী। ঘটনাটি সত্যি গল্পের মতন। গল্পের নায়িকা সবজি বিক্রেতা। পয়সার অভাবে নিজের স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারেনি। তাই স্বামীর মৃত্যুর পর পণ করে ছিলেন, তাঁর স্বামীর মতন আর কারুর মৃত্যু যেন না হয়, তাই শুরু করেন জীবন সংগ্রাম।
এই সংগ্রামের সময় তাঁর পাশে ছিলো অদম্য জেদ। আর এই জেদকে সঙ্গী করে ধাপার মাঠ থেকে সবজি তুলে বিক্রি শুরু করেন তিনি। অভাবের সংসারে ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা করাতে না পারায় রেখে এসে ছিলেন অনাথ আশ্রমে। সেখানে পড়াশোনা করেই সুভাষিণী দেবীর বড় ছেলে আজ ডাক্তার। দীর্ঘ ২০ বছরের লড়াইয়ের পর ১৯৯৩ সালে হসপিটাল তৈরির কাজ শুরু করেন। তার পর অনুদানের টাকায় অবশেষে তৈরি হয় হিউম্যানিটি হসপিটাল। প্রায় বিনা পয়সাতে চিকিৎসা পান কয়েকশো রোগী। তাই তার এই কাজকে সম্মান জানিয়েই পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় তাঁর নাম জ্বলজ্বল করছে।
এই সংগ্রামের সময় তাঁর পাশে ছিলো অদম্য জেদ। আর এই জেদকে সঙ্গী করে ধাপার মাঠ থেকে সবজি তুলে বিক্রি শুরু করেন তিনি। অভাবের সংসারে ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা করাতে না পারায় রেখে এসে ছিলেন অনাথ আশ্রমে। সেখানে পড়াশোনা করেই সুভাষিণী দেবীর বড় ছেলে আজ ডাক্তার। দীর্ঘ ২০ বছরের লড়াইয়ের পর ১৯৯৩ সালে হসপিটাল তৈরির কাজ শুরু করেন। তার পর অনুদানের টাকায় অবশেষে তৈরি হয় হিউম্যানিটি হসপিটাল। প্রায় বিনা পয়সাতে চিকিৎসা পান কয়েকশো রোগী। তাই তার এই কাজকে সম্মান জানিয়েই পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় তাঁর নাম জ্বলজ্বল করছে।
No comments