শ্রীলেখার পর এবার টলিপাড়ার স্বজনপোষণ নিয়ে মুখ খুললেন শাশ্বত
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না তাঁর পরিবার সহ অনেকেই। অভিনেতার মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিনেমা জগতের অনেকেই। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের নীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠছে সকলেই। অভিযোগ উঠেছে করন জোহর, সলমন খান, সঞ্জয় লীলা বানসালি, মুকেশ ভাট এবং একতা কাপুরের মতো পরিচালদের উপর। এই পরিচালকদের বয়কট করার দাবিও করা হয়েছে। ১৪ ই জুন নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করেন বলিউড অভিনেতা। আত্মহত্যার কারণ খুজতে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। সুশান্তের মৃত্যু পর থেকে শোনা যাচ্ছে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। কিন্তু তাঁর মানসিক অবসাদের কারণ কি? তাকে মানসিক অবসাদের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তাকে এক ঘরে করে দেওয়া হয়েছে, এই সমস্ত অভিযোগ সামনে তুলে ধরছেন বলিউডের অভিনেত্রী অভিনেতারা। অভিযোগ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নেপোটিজম ব্যবস্থাই সুশান্তকে হত্যা করেছে। শুধুই কি বলিউডের মধ্যেই এই স্বজনপোষণ ব্যবস্থার শিকার হতে হয়।
না, এমন ঘটনা টলিউডের মধ্যেও রয়েছে। যার কোপের মুখে পরেছেন অনেকেই। টলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।আর এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। শাশ্বত বলেন, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে আলাদা করে কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি তাঁকে। কারণ বাবার চেহারা তিনি পাননি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসাই তাকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়ে আসে। অভিনেতা জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গেও এমন ঘটেছে। তিনি বলেন, কোনও একটা ছবিতে নায়কের সঙ্গে একটা মাত্র দৃশ্য ছিল, সেটা ডাবিং করতে গিয়ে দেখি আমি নেই।
দুবছর আগে, এজটি ফ্রাঞ্চাইজির চিত্রনাট্য শুনেছি, কিন্তু তারপর দেখছি সেটা অন্য কেউ করছে। এই সমস্ত ঘটনা মাথায় রেখে দিলে বেচে থাকা দায় হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক পেশাতেই অনেকের মনেই এই ধারনাটা আসে যে কোনও না কোনও ভাবে তাঁরা ঠকেছেন। এই ধারনাটা যদি মনে বসে যায়, তাহলে সেখান থেকে বের হওয়ার কোনও রাস্তা কিন্তু খুব কঠিন।
না, এমন ঘটনা টলিউডের মধ্যেও রয়েছে। যার কোপের মুখে পরেছেন অনেকেই। টলিউডের স্বজনপোষণ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।আর এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। শাশ্বত বলেন, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে আলাদা করে কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি তাঁকে। কারণ বাবার চেহারা তিনি পাননি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসাই তাকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়ে আসে। অভিনেতা জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গেও এমন ঘটেছে। তিনি বলেন, কোনও একটা ছবিতে নায়কের সঙ্গে একটা মাত্র দৃশ্য ছিল, সেটা ডাবিং করতে গিয়ে দেখি আমি নেই।
দুবছর আগে, এজটি ফ্রাঞ্চাইজির চিত্রনাট্য শুনেছি, কিন্তু তারপর দেখছি সেটা অন্য কেউ করছে। এই সমস্ত ঘটনা মাথায় রেখে দিলে বেচে থাকা দায় হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক পেশাতেই অনেকের মনেই এই ধারনাটা আসে যে কোনও না কোনও ভাবে তাঁরা ঠকেছেন। এই ধারনাটা যদি মনে বসে যায়, তাহলে সেখান থেকে বের হওয়ার কোনও রাস্তা কিন্তু খুব কঠিন।

No comments