করোনা এখনি যাবে না, সামাজিক দুরত্ব রেখে দোকান-পাট খুলুক! বললেন মুখ্যমন্ত্রী #BreakingNews
নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা এখনই যাবে না, তাবলে কি দোকান পাঠ খুলবে না? নিশ্চই খুলবে, কিন্তু কিভাবে? তা আজ নবান্নে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে পঞ্চায়েত বৈঠক শেষ করে তিনি জানান, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সতর্ক থাকলেই চলবে। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে আমাদের। তিনি বলেন "করোনা থাকবে, তার মধ্যেই চাই গ্রাম বাংলার জাগরণ।"
তাঁর কথায়, সতর্ক থেকেই গ্রামাঞ্চলে দোকান-পাট খুলতে হবে।এটা মানববাহিত রোগ। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ না করে সতর্ক হয়ে চলতে হবে।" পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, "মাস্ক পরে দোকানে যান। বিক্রেতারাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক পরে কেনাবেচা করুন। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। করোনা মোকাবিলায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামাজি দূরত্ব বজায় রেখে গ্রামাঞ্চলে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে।"
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই রাজ্যের রেড জোনকে তিন ভাগে ভাগ করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ১৭৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে। ২ হাজার ১৭৩ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৬৩ জন।
পাশাপাশি এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ১৯৮। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৬১২ জন।
তাঁর কথায়, সতর্ক থেকেই গ্রামাঞ্চলে দোকান-পাট খুলতে হবে।এটা মানববাহিত রোগ। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ না করে সতর্ক হয়ে চলতে হবে।" পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, "মাস্ক পরে দোকানে যান। বিক্রেতারাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক পরে কেনাবেচা করুন। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। করোনা মোকাবিলায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামাজি দূরত্ব বজায় রেখে গ্রামাঞ্চলে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে।"
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই রাজ্যের রেড জোনকে তিন ভাগে ভাগ করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ১৭৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে। ২ হাজার ১৭৩ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৬৩ জন।
পাশাপাশি এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ১৯৮। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৬১২ জন।

No comments