প্রাণপণ লড়াই; তবুও ফের করোনায় জর্জরিত কেরল! বাংলার কি হবে?
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজ্ঞাপন বা আত্মপ্রচারে নয় কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছিলেন ভয়ঙ্কর করোনা নামের এই দৈত্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি আগেভাগে না নিলে করোনার ভয়ঙ্কর থাবায় উজাড় হবে গোটা কেরল। কেরলের সাফল্যের গল্প এখন মিথ, সারা ভারতবর্ষের কাছে একটা মডেল। না যাদু ছিল না কেরল সরকারের কাছে ,ছিল পূর্বপ্রস্তুতি। সরকারের বিরুদ্ধে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লুকিয়ে ফেলার অভিযোগ নেই,বরং ভারতে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলে কেরলে।কোভিড-১৯এর বিরুদ্ধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারির পর যেমন কেরল সরকার করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয়ের প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকারি পদক্ষেপ দ্রুত কার্যকর করেছে এবং সাফল্য পেয়েছে। কেরলের সাধারণ মানুষ ধন্য ধন্য করছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সদিচ্ছা কে।
যেভাবে মাঠে ঘাটে না বেরিয়ে প্রশাসন এবং স্বাস্থকর্মীদের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে জনগন কে সুরক্ষিত করেছেন তিনি তা এক কথায় মিরাকেল।কান্নুরের এক বাসিন্দা তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে বলেন জানি উনি ঈশ্বর মানেন না কিন্তু উনি যা করেছেন তা আসলে ঈশ্বরের কাজ! কেরলের করোনা ঠেকানোর প্রচেষ্টা বিশ্ববন্দিত সংক্রমণ মাত্র ৭ এ নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিল কেরল সরকার। কিন্তু গত ৩ দিনে আবার বেড়েছে সংক্রমণ, ৭ থেকে এখন বেড়ে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত ৮০! মোট সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৬ এবং ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৯৩ জন আর মৃত্যু? মাত্র ৩ জনের! কেরলের জনসংখ্যা ৩ কোটি ৪৮ লক্ষ, সেই রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার ২০১ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে কোভিড ১৯ এর। অন্যদিকে বাংলার চিত্র অত্যন্ত সঙ্কটজনক এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৪৬১ জন আক্রান্ত। ২ হাজার ৪৬১ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪০৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ২২৫।
অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে এখন পর্যন্ত মোট স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৫৪৩। রাজ্যে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে ৭৭৩ জনের। উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লক্ষ যা কেরলের প্রায় তিনগুন।
অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে এখন পর্যন্ত মোট স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ৬৯ হাজার ৫৪৩। রাজ্যে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে ৭৭৩ জনের। উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লক্ষ যা কেরলের প্রায় তিনগুন।

No comments