কমানো যাচ্ছে না করোনার প্রকোপ, সব ছাড় প্রত্যাহার করে দেশজুড়ে লকডাউনের বিধি আরও কঠোর করার দাবি।
নজরবন্দি ব্যুরো: করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় ২৩ শে মার্চ থেকে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। ১৭ ই মে থেকে শুরু হয়েছে চতুর্থ দফায় লকডাউন। নামেই লকডাউন পরিবহন থেকে শুরু করে দোকানপাট, উড়ানে মিলেছে ছাড়।এইসব কারণে ভারতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এইবার দেশজুড়ে দাবি উঠেছে লকডাউনের সব ছাড় প্রত্যাহার করে লকডাউনের বিধি আরও কঠোর করা হোক। বিশেষজ্ঞদের মতে এই পরিস্থিতিতে লকডাউন বিধি আরও কঠোর করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠবে। লকডাউন করেও করোনা সংক্রমণের হার কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রক জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৬,৫৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। যার ফলে সব মিলিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৫,৩৮০ জন।যার মধ্যে এক্টিভ কেস ৮০ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। মৃত্যুর সংখ্যা ৪১৬৭ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে।সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২,৬৬৭ জন,মৃত্যু -১,৬৯৫ জন।তারপর আছে তামিলনাড়ু আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজারের বেশি। তারপর গুজরাট -১৪ হাজারের বেশি। দিল্লিতে সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে। এদিকে দেশে করোনা পরীক্ষার পরিমান হঠাৎ করে কমে গিয়েছে কেন সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে ২ দিন করোনা পরীক্ষার পরিমান সারা দেশ মিলিয়ে ১ লক্ষের কম হয়েছে। যেখানে দেড় লক্ষ মানুষের করোনা পরীক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রক জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৬,৫৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। যার ফলে সব মিলিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১,৪৫,৩৮০ জন।যার মধ্যে এক্টিভ কেস ৮০ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। মৃত্যুর সংখ্যা ৪১৬৭ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে।সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২,৬৬৭ জন,মৃত্যু -১,৬৯৫ জন।তারপর আছে তামিলনাড়ু আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজারের বেশি। তারপর গুজরাট -১৪ হাজারের বেশি। দিল্লিতে সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে। এদিকে দেশে করোনা পরীক্ষার পরিমান হঠাৎ করে কমে গিয়েছে কেন সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে ২ দিন করোনা পরীক্ষার পরিমান সারা দেশ মিলিয়ে ১ লক্ষের কম হয়েছে। যেখানে দেড় লক্ষ মানুষের করোনা পরীক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে।

No comments