মৃত্যুর সাথে আট দিন লড়াই করেও মায়ের কোলে আর ফেরা হলো না ঋষভের।
নজরবন্দি ব্যুরো: ১৪ই ফেব্রুয়ারি চুঁচুড়ায় কামদেবপুর একটি ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারের ধাক্কা মেরে উল্টে যায় রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে। সেই ঘটনায় দ্বিতীয় শ্রেণির দুই ছাত্র ঋষভ সিংহ ও দিব্যাংশু ভগত গুরুতর ভাবে আহত হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে ওই দুই ছাত্রকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় গ্রিন করিডোর তৈরি করে। দুর্ঘটনার দিন থেকে ঋষভকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল,কারণ জল কাঁদা ঢুকে ফুসফুসকে অকেজো করে দেয়। কৃত্রিমভাবে যাতে ফুসফুস সক্রিয় থাকে তার জন্য একমো যন্ত্রের সাহায্যও নেওয়া হয়।
ওই কাঁদা জল ফুসফুসে থেকে যাওয়ায় সংক্রমণ ধীরে ধীরে শরীরে ছড়াতে থাকে।২১ শে ফেব্রুয়ারি তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করাও বন্ধ করে দেয়, চিকিৎসকেরা সমস্ত অস্ত্র ব্যবহার করেও কোনো রকম সাড়া পায়নি। রক্তচাপের ওঠানামার সঙ্গে মাল্টি অর্গান ফেলিওর হতে থাকে। রাত দশটার পরে তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে, শেষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিডনি সাড়া দেওয়াও বন্ধ করে দেয়। আজ ভোর পাঁচটায় এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় ঋষভের।
ওই কাঁদা জল ফুসফুসে থেকে যাওয়ায় সংক্রমণ ধীরে ধীরে শরীরে ছড়াতে থাকে।২১ শে ফেব্রুয়ারি তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করাও বন্ধ করে দেয়, চিকিৎসকেরা সমস্ত অস্ত্র ব্যবহার করেও কোনো রকম সাড়া পায়নি। রক্তচাপের ওঠানামার সঙ্গে মাল্টি অর্গান ফেলিওর হতে থাকে। রাত দশটার পরে তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে, শেষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিডনি সাড়া দেওয়াও বন্ধ করে দেয়। আজ ভোর পাঁচটায় এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় ঋষভের।

No comments