বিশ্বভারতী কৃত্রিম অক্সিজেনে চলছে, বিস্ফোরক মন্তব্য উপাচার্যের
নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুই বাংলার প্রচুর বাঙালি ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনে। তাই প্রথা মেনেই বিশ্বভারতীতে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আজও মাতৃভাষা দিবসকে ঘিরে বিশ্বভারতীতে সাজো সাজো রব। ভাষা শহীদ স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।
আজকের এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে থাকেন তিনি। এমনকি তাঁর টার্গেটে চলে আসে সাংবাদিকরাও। সংবাদমাধ্যমকে নিশানা করে বেলাগাম মন্তব্য করতে থাকেন উপাচার্য। তিনি বলেন “বিশ্বভারতী অসুস্থ, কৃত্তিম অক্সিজেন নিয়ে চলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমি প্রাকৃতিক অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করব।” খোদ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে এহেন মন্তব্য করায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
তাঁর এই মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন বাঙালির প্রাণের জায়গা। উপাচার্য এহেন মন্তব্য কিভাবে করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী আরও বলেন “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনার ডিম পাড়ে, অনেকেরই তাতে লাভ হয়। তাই যেকোনো সাধারন বিষয়কে মানুষের সামনে বড় করে উপস্থাপন করেন।” নাম না করে সংবাদমাধ্যমকেও বেনোজির আক্রমণ করেন উপাচার্য। তবে অমর একুশের মঞ্চ থেকে কেন তিনি এভাবে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তা নিয়ে ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারাই।
আজকের এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে থাকেন তিনি। এমনকি তাঁর টার্গেটে চলে আসে সাংবাদিকরাও। সংবাদমাধ্যমকে নিশানা করে বেলাগাম মন্তব্য করতে থাকেন উপাচার্য। তিনি বলেন “বিশ্বভারতী অসুস্থ, কৃত্তিম অক্সিজেন নিয়ে চলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমি প্রাকৃতিক অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করব।” খোদ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে এহেন মন্তব্য করায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

No comments