অভিনব 'ভাষা দিবস' উদযাপন 'ঐক্য বাংলা'- সংগঠনের
নজরবন্দি ব্যুরোঃ একুশে ফেব্রুয়ারি অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হল বাংলার বিভিন্নপ্রান্তে। কোথাও ভাষা শহীদদের স্মৃতিতে মাল্যদান করে কোথাও আবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যথোচিত মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয় দিনটি।তবে উৎসব বা অনুষ্ঠান ছাড়াই সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় ভাষা দিবস উদযাপন করল বাংলার জাতীয়তাবাদী সংগঠন 'ঐক্য বাংলা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ তরুণের রক্তাক্ত হওয়ার ইতিহাস জনসমক্ষে তুলে ধরতে থাকে এই সংগঠন। সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় স্মরণ করা হয় ভাষা শহীদদের। জনসমক্ষে এদিনের গুরুত্ব জানতে চেয়ে কার্যত নিরাস হন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা। তাঁদের কথায় ২৩০ জনের মধ্যে ৫২ জন মানুষ এদিনের ইতিহাস জানেন না। বাংলা ও বাঙালি চেতনায় এদিনের মাহাত্ম্য সম্বন্ধে এখনপ অবগত নন বাংলার বহু মানুষ। শহর কলকাতা থেকে মফস্বল, বিভিন্ন এলাকায় এই বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের সদস্যরা বাঙালির কাছে ভাষা শহীদের চেতনা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। রাস্তাঘাট থেকে রেলস্টেশন সর্বত্র মানুষের মধ্যে এদিনের ইতিহাস ও ভাষার জন্য বাঙালির সংগ্রামের লাল অধ্যায় মানুষের সামনে তুলে ধরেন।
কতজন মানুষ ভাষা দিবস সম্পর্কে অবগত রয়েছেন তা নিয়ে সম্প্রতি এই সংগঠন একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। আর সমীক্ষার ফলাফল বলছে, কলকাতার শ্যামবাজারে ৫০%, গড়িয়াহাটে ৩৫%, যাদবপুরে ৮০%, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে ৬০%, উত্তর ২৪ পরগনার লেকটাউনে ৭৫%, এবং খরদা তে ৪৫% বাঙালি জানেন ভাষা দিবসের ইতিহাস। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয় এখনও এত মানুষ ভাষা দিবস সম্বন্ধে জানেন না। আগামী দিনগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের সব বাঙালিদের ঘরে ঘরে গিয়ে বাংলা ভাষা ও চেতনা বাঁচানোর তাগিদে এই দিনের ইতিহাস তুলে ধরা হবে। একুশে ফেব্রুয়ারি দিল্লিতেও 'ঐক্য বাংলা' সংগঠন একই বিষয় নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ বলতে পারেননি এদিনের ইতিহাস।
বাংলার জাতীয়তাবাদী সংগঠন 'ঐক্য বাংলার' অভিযোগ হিন্দি ভাষার দাপটে বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশের বহুভাষার উপর সংকট নেমে এসেছে। বাংলাভাষা বাঁচানোর তাগিদে সব বাঙালিকে এক হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
কতজন মানুষ ভাষা দিবস সম্পর্কে অবগত রয়েছেন তা নিয়ে সম্প্রতি এই সংগঠন একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। আর সমীক্ষার ফলাফল বলছে, কলকাতার শ্যামবাজারে ৫০%, গড়িয়াহাটে ৩৫%, যাদবপুরে ৮০%, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে ৬০%, উত্তর ২৪ পরগনার লেকটাউনে ৭৫%, এবং খরদা তে ৪৫% বাঙালি জানেন ভাষা দিবসের ইতিহাস। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয় এখনও এত মানুষ ভাষা দিবস সম্বন্ধে জানেন না। আগামী দিনগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের সব বাঙালিদের ঘরে ঘরে গিয়ে বাংলা ভাষা ও চেতনা বাঁচানোর তাগিদে এই দিনের ইতিহাস তুলে ধরা হবে। একুশে ফেব্রুয়ারি দিল্লিতেও 'ঐক্য বাংলা' সংগঠন একই বিষয় নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছিল। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ বলতে পারেননি এদিনের ইতিহাস।
বাংলার জাতীয়তাবাদী সংগঠন 'ঐক্য বাংলার' অভিযোগ হিন্দি ভাষার দাপটে বাংলা তথা ভারতীয় উপমহাদেশের বহুভাষার উপর সংকট নেমে এসেছে। বাংলাভাষা বাঁচানোর তাগিদে সব বাঙালিকে এক হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

No comments