তসলিমা কি ভারতীয় নাগরিকত্ব পাচ্ছেন? কি বললেন অর্থমন্ত্রী।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশ জুড়ে উত্তাল পরিস্থিতি এখন সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় এর বিরুদ্ধে চলছে লাগাতার আন্দোলন। বিরোধী দল গুলিও এই আইনের বিপক্ষে রাজনৈতিক ভাবে করছে আন্দোলন। সাধারণ মানুষ থেকে ছাত্র ও বুদ্ধিজীবিরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে, যার ফলে এই মূহুর্তে এই আইন নিয়ে যথেষ্ট চাপে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ঠিক এই পরিস্থিতিতেই মোদি মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী নির্মলা সিতারামণ এই আইনের পক্ষে সাওয়াল করলেন। CAA যে বিভাজ্যমূলক নয় তা বোঝাতেই একটি তথ্য দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন ১৫৯৪ জন পাকিস্থানি মুসলিম, ৩৯১ জন আফগান মুসলিম শরণার্থী ১৬ থেকে ১৮ সালের মধ্যে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন।
এছাড়াও, ১৯৬৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ তামিল সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। যাদের বাড়ি আদতে শ্রীলংকায়। তিনি আরও বলেন, ঠিক একি ভাবে পাকিস্থানের সঙ্গীত শিল্পী আদনান সামি কে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উদাহরন হিসেবে, বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তাসলিমা নাসরিনের নাম নেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে দিল্লিতে রেসিডেন্স ভিসা নিয়ে রয়েছেন তাসলিমা। মোদি মন্ত্রী সভার অর্থমন্ত্রীর মুখে তসলিমার নাম শুনে অনেকেই মনে করছেনেবার হয়ত পাকাপাকি ভাবে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন তিনি। তবে, মোদি সরকারের এই আইনকে সমর্থন করেছেন লেখিকা। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সেই সমর্থনের পুরষ্কার হিসেবে নাগরিকত্ব পেতে পারেন এই বাংলাদেশি লেখিকা।
এছাড়াও, ১৯৬৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪ লক্ষ তামিল সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। যাদের বাড়ি আদতে শ্রীলংকায়। তিনি আরও বলেন, ঠিক একি ভাবে পাকিস্থানের সঙ্গীত শিল্পী আদনান সামি কে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উদাহরন হিসেবে, বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তাসলিমা নাসরিনের নাম নেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে দিল্লিতে রেসিডেন্স ভিসা নিয়ে রয়েছেন তাসলিমা। মোদি মন্ত্রী সভার অর্থমন্ত্রীর মুখে তসলিমার নাম শুনে অনেকেই মনে করছেনেবার হয়ত পাকাপাকি ভাবে ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন তিনি। তবে, মোদি সরকারের এই আইনকে সমর্থন করেছেন লেখিকা। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, সেই সমর্থনের পুরষ্কার হিসেবে নাগরিকত্ব পেতে পারেন এই বাংলাদেশি লেখিকা।

No comments