"অনশনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছে গিয়ে দ্রুত সমস্যা মেটান।" মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন সুজনের।
নজরবন্দি ব্যুরো: বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ আছে রাজ্যের শিক্ষকদের একটা বড় অংশের। যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন এবং সহকর্মীদের অনৈতিক ট্রান্সফারের প্রতিবাদে অরাজনৈতিক প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা অনশন-অবস্থান করছেন বিকাশ ভবনের পাশে। এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয় নি। যদিও অতিক্রান্ত হওয়ার পথে অনশনের ৬ দিন। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই অনশনের প্রসঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন,"শিক্ষকদের কাজ রাস্তায় শুয়ে থাকা নয়!
রাজ্য সরকারের হাতে টাকা নেই, টাকা থাকলে দিতে তো কোন আপত্তি নেই। পরে বাম আমলের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন ২০০৯ সালের ঘটনা প্রতিফলিত হচ্ছে ২০১৯ এ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত মানবিক, তিনি সঠিক সময়েই ব্যবস্থা নেবেন।এই অবস্থায় অনশনরত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন, সিপিআই(এম) নেতা সুজন চক্রবর্তী। তিনি লেখেন ,"আপনি নিশ্চয় জানেন যে, কলকাতার উপকণ্ঠে সল্টলেকে বিকাশভবনের পাশে গত ৭ দিন ধরে আমাদের রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য অনশন করছেন। সরকার নির্বিকার, নিশ্চুপ। গত ৭ দিনের মধ্যে একবারও সরকারের পক্ষে কোন মন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করার ন্যূন্যতম সৌজন্য পর্যন্ত দেখায় নি। এটা অবশ্যই নিন্দার ও লজ্জার।
যে সব দাবীতে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছেন সেই দাবি সঙ্গত ও যুক্তিগ্রাহ্য।
সর্বভারতীয় যোগ্যতা মানের সাথে সম্পর্কিত হয়েই যারা শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত আছেন, সর্বভারতীয় বিচারে সমতুলভাবে তাদের বেতন কাঠামোর দাবিটা সম্পূর্ণ ন্যায্য- তা আপনি নিশ্চয় বুঝবেন।
তাদের ন্যায় সঙ্গত দাবীকে মান্যতা দেবার পরিবর্তে সরকার বরং চূড়ান্ত ঔদাসীন্য দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে। শাস্তির জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। এ এক চূড়ান্ত ঔদ্ধত্য। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই বিষয়ে যারা যথার্থ দাবি জানাচ্ছেন, সরকার তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তা এখনও পর্যন্ত রদ করা হয় নি। স্বভাবতই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমশ কমছে।
সংবেদনশীল সমাজে সরকারের এই ভূমিকা স্বাভাবিক ভাবেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। সুশীল সমাজ এই রকমের অমানবিক মনোভাব এবং আচরণ মানতে পারে না। প্রসঙ্গত, স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় পাশ করা চাকুরী প্রার্থীরা ২৯ দিন ধরে অনশন করেছিল। তাদের কথা সরকারের কর্ণকুহরে পৌছয়নি। শেষমেশে আপনি গিয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি দিলেন। তারা অনশন প্রত্যাহার করে নিল। কিন্তু তার পর প্রায় ৪ মাস অতিক্রান্ত হতে চলল। সরকার আজও তাদের দাবির মান্যতা দেয় নি।
আপনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যথার্থ দায়িত্ব নিন। অবিলম্বে আন্দোলনরত, অনশনরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে কথা বলুন। তাদের সমস্যা মেটান। আপনার কাছে আবেদন দ্রুত জরুরি-ভিত্তিক যথাযথ ব্যবস্থা নিন।"
এখন দেখার এই চিঠি পাবার পরে মুখ্যমন্ত্রী কি ব্যবস্থা নেন। সেই দিকে তাকিয়ে শিক্ষকরা।
যে সব দাবীতে প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছেন সেই দাবি সঙ্গত ও যুক্তিগ্রাহ্য।
তাদের ন্যায় সঙ্গত দাবীকে মান্যতা দেবার পরিবর্তে সরকার বরং চূড়ান্ত ঔদাসীন্য দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে। শাস্তির জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। এ এক চূড়ান্ত ঔদ্ধত্য। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই বিষয়ে যারা যথার্থ দাবি জানাচ্ছেন, সরকার তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলির প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও তা এখনও পর্যন্ত রদ করা হয় নি। স্বভাবতই সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমশ কমছে।
সংবেদনশীল সমাজে সরকারের এই ভূমিকা স্বাভাবিক ভাবেই নিন্দার ঝড় উঠেছে। সুশীল সমাজ এই রকমের অমানবিক মনোভাব এবং আচরণ মানতে পারে না। প্রসঙ্গত, স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় পাশ করা চাকুরী প্রার্থীরা ২৯ দিন ধরে অনশন করেছিল। তাদের কথা সরকারের কর্ণকুহরে পৌছয়নি। শেষমেশে আপনি গিয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি দিলেন। তারা অনশন প্রত্যাহার করে নিল। কিন্তু তার পর প্রায় ৪ মাস অতিক্রান্ত হতে চলল। সরকার আজও তাদের দাবির মান্যতা দেয় নি।
আপনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। যথার্থ দায়িত্ব নিন। অবিলম্বে আন্দোলনরত, অনশনরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে কথা বলুন। তাদের সমস্যা মেটান। আপনার কাছে আবেদন দ্রুত জরুরি-ভিত্তিক যথাযথ ব্যবস্থা নিন।"
এখন দেখার এই চিঠি পাবার পরে মুখ্যমন্ত্রী কি ব্যবস্থা নেন। সেই দিকে তাকিয়ে শিক্ষকরা।


No comments