বাংলার সর্বনাশের দায় এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর, এনআরএস প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সুজন চক্রবর্তী
নজরবন্দি ব্যুরো: রোগীর আত্মীয়দের মারে গুরুতর আহত এনআরএস হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়। মাথায় গুরুতর চোট পাওয়ায় চিকিৎসা চলছে মল্লিকবাজারের ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেসে। এখন তিনি মোটামুটি বিপদমুক্ত, তবে কবে থেকে তিনি চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায় নি।
ডাক্তারদের এই কর্মবিরতির জেরে বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছেন রাজ্যের অগণিত সাধারণ মানুষ। ডাক্তার-রা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবীতে লাগাতার কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তারদের ৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ দেবার নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যদি তারা কাজে যোগ না দেয়, তাহলে তারা আর সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির পর কার্যত জেদ বেড়ে গিয়েছে ডাক্তারদের। দিল্লীর এইমস থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক একাধিক হাসপাতাল সমর্থন জানিয়েছে এনআরএস-এ আন্দোলনরত ডাক্তারদের প্রতি।
সিনিয়ার ডাক্তাররাও পাশে আছে জুনিয়ার ডাক্তাররাও। কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররা। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেদ নিয়ে বসে রয়েছেন, ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন ডাক্তারদের, ফলে পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে আরও প্রতিকূল হচ্ছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে গন ইস্তফায় সামিল হয়েছেন ডাক্তার-রা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন ডাক্তার ইস্তফা দিয়েছেন রাজ্য জুড়ে।
এর পাশাপাশি আজ রাজপথেও আন্দোলনে নামলেন ডাক্তার-রা।
এনআরএস থেকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত মিছিল হয় ডাক্তারদের। মিছিলের স্লোগান ছিল "বাঁচতে চাই, বাঁচাতে চাই।"
যদিও আজ দুপুরে রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাত করেন সারদদত্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিনিয়ার ডাক্তারদের এক প্রতিনিধি দল। তাঁরা রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন এই জটিলতা কাটানোর জন্য।
এই প্রসঙ্গে সিপিআই(এম) বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী দাবি করেন, " রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এনআরএস প্রসঙ্গে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চান। আর এই সমস্যাটা দ্রুত সমাধান করা দরকার। ডাক্তারবাবুরা যেভাবে রিজাইন করছেন এবং যে ঘটনা ঘটে-যাচ্ছে রাজ্যে তা কিন্তু চলতে পারেনা। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজ্যপালকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তিনি নেই তিনি এখন কাঁচরাপাড়ায়। বাংলার মানুষ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে লাল কার্ড দেখাতে চায়। বাংলার সর্বনাশের দায় এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর।"
ডাক্তারদের এই কর্মবিরতির জেরে বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছেন রাজ্যের অগণিত সাধারণ মানুষ। ডাক্তার-রা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবীতে লাগাতার কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তারদের ৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ দেবার নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যদি তারা কাজে যোগ না দেয়, তাহলে তারা আর সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির পর কার্যত জেদ বেড়ে গিয়েছে ডাক্তারদের। দিল্লীর এইমস থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক একাধিক হাসপাতাল সমর্থন জানিয়েছে এনআরএস-এ আন্দোলনরত ডাক্তারদের প্রতি।
সিনিয়ার ডাক্তাররাও পাশে আছে জুনিয়ার ডাক্তাররাও। কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররা। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেদ নিয়ে বসে রয়েছেন, ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন ডাক্তারদের, ফলে পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে আরও প্রতিকূল হচ্ছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে গন ইস্তফায় সামিল হয়েছেন ডাক্তার-রা। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন ডাক্তার ইস্তফা দিয়েছেন রাজ্য জুড়ে।
এর পাশাপাশি আজ রাজপথেও আন্দোলনে নামলেন ডাক্তার-রা।
যদিও আজ দুপুরে রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাত করেন সারদদত্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিনিয়ার ডাক্তারদের এক প্রতিনিধি দল। তাঁরা রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন এই জটিলতা কাটানোর জন্য।
এই প্রসঙ্গে সিপিআই(এম) বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী দাবি করেন, " রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এনআরএস প্রসঙ্গে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চান। আর এই সমস্যাটা দ্রুত সমাধান করা দরকার। ডাক্তারবাবুরা যেভাবে রিজাইন করছেন এবং যে ঘটনা ঘটে-যাচ্ছে রাজ্যে তা কিন্তু চলতে পারেনা। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে রাজ্যপালকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তিনি নেই তিনি এখন কাঁচরাপাড়ায়। বাংলার মানুষ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে লাল কার্ড দেখাতে চায়। বাংলার সর্বনাশের দায় এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর।"

No comments