মমতা থেকে কেন মুখ ফেরালেন মতুয়া সম্প্রদায়?
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় লক্ষ লক্ষ লোকের ভিড়ে তখন উপচে পড়ছে ঠাকুরনগরের মাঠ। জনপ্লাবনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। সভায় আসা মতুয়া ভক্তদের উচ্ছ্বাস দেখে দৃশ্যতই সন্তুষ্ট দেখাচ্ছিল নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদীকে।মতুয়া ভোটব্যাঙ্কের একটা বড় অংশ এবার গিয়েছে বিজেপি তে। কিন্তু কেন এমন অবস্থা হল তৃণমূলের?
কেন ধরাশায়ী তৃণমূল প্রার্থী মমতা ঠাকুর? বনগাঁয় মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির জন্য উন্নয়নের বহু কর্মসূচি নিয়েছেন মমতা। মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ গুরুচাঁদের নামে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হচ্ছে চাঁদপাড়ায়। মতুয়াদের বড়মা বীণাপানি ঠাকুরের স্বামী, আর এক মতুয়া ধর্মগুরু প্রমথরঞ্জনের নামে কলেজ তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই। কিছু দিন আগে বড়মাকে বঙ্গভূষণ সম্মান দিয়েছে রাজ্য। মতুয়াদের পুণ্যস্নানের জন্য কামনাসাগরের সংস্কার করা হয়েছে। ঠাকুরনগর স্টেশনের রূপ বদলে মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ির আদল দেওয়া হয়েছে।
গোটা বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন জায়গায় উন্নয়নের অনেক কাজ হয়েছে। তাহলে কান এমন হল? বিজেপির সভাপতি প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মোদীজি ঠাকুরনগরের সভায় এসে বলে গিয়েছিলেন, যে সব হিন্দু বাংলাদেশ থেকে এ দেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। মতুয়ারাও দীর্ঘ দিন ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কথায় আস্থা রেখেছেন। বরং এনআরসি নিয়ে তৃণমূলের প্রচার মানুষের মনে তেমন দাগ কাটেনি বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
গোটা বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন জায়গায় উন্নয়নের অনেক কাজ হয়েছে। তাহলে কান এমন হল? বিজেপির সভাপতি প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মোদীজি ঠাকুরনগরের সভায় এসে বলে গিয়েছিলেন, যে সব হিন্দু বাংলাদেশ থেকে এ দেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। মতুয়ারাও দীর্ঘ দিন ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কথায় আস্থা রেখেছেন। বরং এনআরসি নিয়ে তৃণমূলের প্রচার মানুষের মনে তেমন দাগ কাটেনি বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

No comments