সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের পিছনে কারা? কি বললেন দিলীপ ঘোষ?
নজরবন্দি ব্যুরো: সরস্বতী পুজোর দিন নিজের ক্লাবে পুজো উদ্বোধন করতে গিয়ে খুন হয়েছেন বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। এই ঘটনায় আতঙ্কিত এই রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। আর সেই দিন থেকে একটাই প্রশ্ন উঠছে সত্যজিৎ খুনের পিছনে কারা? যদিও তৃণমূল নেতার এই খুনের পিছনে বিজেপি ও আরএসএস আছে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন।
সত্যজিৎ খুন হবার পরে থেকে একটাই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এর পিছনে কি দুলাল দাসের মৃত্যু রহস্য কাজ করছে? দুলাল হত্যার বদলা নিতে গিয়ে কি এই খুন? যদিও তৃণমূলের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে প্রতিহিংসার তত্ত্ব উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
কিন্তু দুলাল খুনের বদলা নিতেই কি এই খুন, সেটা তদন্ত সাপেক্ষ। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি এই বিষয় প্রকাশ্যে এনে চাপ বাড়ালেন প্রশাসনের উপর।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল দলীয় কার্যালয়ে খুন হন বগুলার তৃণমূল নেতা দুলাল বিশ্বাস। আশ্চর্যের বিষয়, ঘটনার দিন ছুটিতে গেছিলেন নেতার দেহরক্ষী। সেই খবরও ছিল দুষ্কৃতীদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। আদতে ভায়নার বাসিন্দা হলেও ছুটির দিনে সন্ধ্যার দিকে বগুলা বাজারে দলীয় দপ্তরে এসে বসতেন এই নেতা। রবিবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুষ্কৃতীরা সকলেই মুখে কালো কাপড় জড়িয়ে ঘটনাস্থলে আসে।
পার্টি অফিসের ভেতরে ঢুকেছিল জনা পাঁচেক দুষ্কৃতী। পার্টি অফিসে ঢুকে সেখানে বসে থাকা আর অন্য কাউকে আক্রমণ করেনি দুষ্কৃতীরা। প্রথম গুলিটি করা হয় দুলাল বিশ্বাসকে। সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে সেই মুহূর্তেই বাকি দুষ্কৃতীদের গুলি ঝাঁঝরা করে দেয় তাঁকে। সীমান্ত লাগোয়া হাঁসখালির দাপুটে নেতা দুলাল বিশ্বাস শেষ মুহূর্তের মধ্যেই।
সত্যজিৎ খুন হবার পরে থেকে একটাই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এর পিছনে কি দুলাল দাসের মৃত্যু রহস্য কাজ করছে? দুলাল হত্যার বদলা নিতে গিয়ে কি এই খুন? যদিও তৃণমূলের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনে প্রতিহিংসার তত্ত্ব উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল দলীয় কার্যালয়ে খুন হন বগুলার তৃণমূল নেতা দুলাল বিশ্বাস। আশ্চর্যের বিষয়, ঘটনার দিন ছুটিতে গেছিলেন নেতার দেহরক্ষী। সেই খবরও ছিল দুষ্কৃতীদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। আদতে ভায়নার বাসিন্দা হলেও ছুটির দিনে সন্ধ্যার দিকে বগুলা বাজারে দলীয় দপ্তরে এসে বসতেন এই নেতা। রবিবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুষ্কৃতীরা সকলেই মুখে কালো কাপড় জড়িয়ে ঘটনাস্থলে আসে।
পার্টি অফিসের ভেতরে ঢুকেছিল জনা পাঁচেক দুষ্কৃতী। পার্টি অফিসে ঢুকে সেখানে বসে থাকা আর অন্য কাউকে আক্রমণ করেনি দুষ্কৃতীরা। প্রথম গুলিটি করা হয় দুলাল বিশ্বাসকে। সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে সেই মুহূর্তেই বাকি দুষ্কৃতীদের গুলি ঝাঁঝরা করে দেয় তাঁকে। সীমান্ত লাগোয়া হাঁসখালির দাপুটে নেতা দুলাল বিশ্বাস শেষ মুহূর্তের মধ্যেই।

No comments